[b]ঢাকা: [/b]বিশ্বের নামিদামি সব ব্র্যান্ডের আদলে তৈরি করা নকল বিলাসবহুল পণ্য ভারতে দেদার বিক্রি হচ্ছে। এর ওপর ভর করে দেশটিতে নকল বিলাসপণ্যের বাজার ক্রমেই বড় হয়ে উঠছে। ২০১৫ সালের মধ্যে ভারতের নকল বিলাসপণ্যের বাজার হবে দ্বিগুণ। অ্যাসোসিয়েটেড চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অব ইন্ডিয়ার (অ্যাসোচেম) এক জরিপে এ তথ্য উঠে আসে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক জরিপ প্রতিবেদনে অ্যাসোচেম জানায়, ২০১৫ সালের শেষ নাগাদ ভারতে নকল বিলাসপণ্যের বাজারটির আকার ৫ হাজার ৬০০ কোটি রুপিতে দাঁড়াবে। বর্তমানে বাজারটির আকার ২ হাজার ৫০০ কোটি রুপির কম নয়।
বিলাসবহুল বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর জন্য ভারতের বাজারে এখন সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো নকল প্রবণতা। অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্যগুলো নকল করে বাজারে বিক্রি করে দেয়ায় বছরে একটি বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে কোম্পানিগুলো।
গত বছর অন্য এক জরিপে বলা হয়েছিল, ভারতে প্রকৃত বিলাসপণ্যের দ্বিগুণ গতিতে বাড়ছে নকল বিলাসপণ্যের বাজার।
অ্যাসোচেম জানায়, নকল পণ্যের বাজার প্রবৃদ্ধিতে অনলাইন শপিং পোর্টালগুলোর ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি। ভারতের বিভিন্ন অংশে বিক্রীত নকল বিলাসপণ্যগুলোর ২৫ শতাংশই এসব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি বছর ৪০-৪৫ শতাংশ হারে বিক্রি বাড়ছে নকল পণ্যগুলোর। অন্তত ২০১৫ সাল পর্যন্ত এ চিত্র থাকবে ভারতের বাজারে। অথচ আসল ব্র্যান্ড পণ্যগুলোর বিক্রয় প্রবৃদ্ধি ১০-২০ শতাংশেই সীমাবদ্ধ।
ভারতে বিলাসবহুল ভোগ্যপণ্যের বাজারটির আকার এখন ৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এর ৫ শতাংশ দখল করে আছে নকল পণ্য। বর্তমান হারে বাড়তে থাকলে আসল পণ্যের উৎপাদক ও বিপণনকারীরা আরো ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিলাসবহুল পণ্যের বৈশ্বিক বাজারটির আকার এখন ৩২০ বিলিয়ন ডলারের মতো। বার্ষিক এ বিক্রির ৭ শতাংশই নকল পণ্য, ডলারে যা ২২ বিলিয়নের মতো।
ভোক্তাদের নকল পণ্য কেনা থেকে বিরত রাখতে অ্যাসোচেমের মহাসচিব ডিএস রাওয়াত বলেন, ‘ভারতে বিক্রীত নকল বিলাসপণ্যের ৮০ শতাংশই আসছে চীন থেকে। সবচেয়ে বেশি নকল হচ্ছে বিলাসবহুল হাতব্যাগ, ঘড়ি, জুতা, ফ্যাশনেবল তৈরি পোশাক, হ্যাট, সানগ্লাস, সুগন্ধি ও গহনা।
তিনি আরো জানান, প্রকৃত ব্র্যান্ডপণ্যের সুবিধা কখনই নকল পণ্যে পাওয়া যাবে না। ভোক্তাদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে। ব্র্যান্ডগুলোর উদ্যোক্তা ও বিক্রেতাদেরও এ বিষয়ে সচেষ্ট হতে হবে। ইন্টারনেটে নকল পণ্য বিক্রির প্রসার রোধেও সচেষ্ট হতে হবে সংশ্লিষ্টদের।’
বিলাসবহুল পণ্য নকল ঠেকানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নকল পণ্যের বাজাটির অস্তিত্ব ও উত্থান ঠেকাতে কার্যকর মেধাস্বত্ব আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করাসহ অন্যান্য সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে। আইনি ও বিচারিক কাঠামোর ফাঁকফোকরগুলো বন্ধ করে আরো বেশি সংখ্যক দোষীকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। সূত্র: ইকোনমিক টাইমস
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]
অর্থনীতি
ভারতে নকল বিলাসপণ্যের রমরমা বাজার
ঢাকা: বিশ্বের নামিদামি সব ব্র্যান্ডের আদলে তৈরি করা নকল বিলাসবহুল পণ্য ভারতে দেদার বিক্রি হচ্ছে। এর ওপর ভর করে দেশটিতে নকল বিলাসপণ্যের বাজার ক্রমেই বড় হয়ে উঠছে। ২০১৫ সালের মধ্যে ভারতের নকল বিলাসপণ্যের বাজার হবে দ্বিগুণ।





