বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে আমরা ৪ জায়গায় সীমাবদ্ধ আছি। এরমধ্যে ১৯ গার্মেন্টের বিরুদ্ধে শ্রমিক নির্যাতনের অভিযোগ, ইপিজেড-এ ট্রেড ইউনিয়ন, ডাটাবেইজ তৈরি এবং ২০০ গার্মেন্ট পরিদর্শক নিয়োগের বিষয়টি। ৩০ মার্চের মধ্যে এসব শর্ত পূরণ করলে, এরপর জিএসপি সুবিধা পেতে আর কোন বাধা থাকবেনা।
সোমবার বিকালে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মালিকদের সঙ্গে মতবিনিয়ময় কালে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, স্থগিত জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে বাংলাদেশকে ১৬টি শর্ত দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তার মধ্যে অন্যতম ১৯ গার্মেন্টে শ্রমিক নির্যাতনের অভিযোগ।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগ উত্থাপিত ১৯ গার্মেন্টের মালিকরা শ্রমিক নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেন। এ সময় গার্মেন্ট মালিকদের উদ্দেশ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, দেশের শ্রমজীবীদের ব্যাপারে যত্নবান হতে হবে। যারা দিন আনে দিন খায়, কথায় কথায় সেসব শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করবেন না। কোনোভাবেই যেন গার্মেন্ট খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি করা না হয় সেদিকে মালিক শ্রমিকদের খেয়াল রাখতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গার্মেন্ট খাতে ৪৪ লাখ শ্রমিক রয়েছে। এরমধ্যে ৮০ ভাগ শ্রমিকই নারী। তাদের প্রতি গার্মেন্ট শ্রমিকদের সহানুভূতিশীল হতে হবে। ইতিপূর্বে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান মন্ত্রী।
সভায় বাণিজ্য সচিব মাহাবুব আহমেদ, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মিকাইল শিপার, বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম, বিকেএমইএ সভাপতি সেলিম ওসমান ছাড়াও অভিযোগ উত্থাপিত ১৯ গার্মেন্টের মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
[b]ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর//এসআর[/b]
অর্থনীতি
'জিএসপি ফিরে পেতে ৪ জায়গায় সীমাবদ্ধ আছি'
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে আমরা ৪ জায়গায় সীমাবদ্ধ আছি। এরমধ্যে ১৯ গার্মেন্টের বিরুদ্ধে শ্রমিক নির্যাতনের অভিযোগ, ইপিজেড-এ ট্রেড ইউনিয়ন, ডাটাবেইজ তৈরি এবং ২০০ গার্মেন্ট পরিদর্শক নিয়োগের বিষয়টি।





