দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে বুধবার অধিকাংশ কোম্পানির দর কমেছে। প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন কমেছে ১১৫ কোটি টাকার বেশি। তবে একদিনের দর পতনের পর ডিএসইতে মূল্য সূচক বেড়েছে। অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) মূল্য সূচক কমেছে। দিনের শুরুতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থাকলেও দুপুর ১২টার পর বাজার নিম্নমুখী হয়। দিনের বাকি সময় নিম্নমুখী প্রবণতায় লেনদেন হয়।
বাজার বিশ্লেষনে দেখা গেছে, আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট  ২৯৩ টি কোম্পানির ১৩ কোটি ২১ লক্ষ ২৬ হাজার ৬৩৮ টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসই’তে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৬২০ কোটি ৫৮ লক্ষ ১৫ হাজার ৯১৮ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১১৫ কোটি ১১ লাখ টাকা কম।
ডিএসই  ব্রড ইনডেক্স (উঝঊঢ) আগের কার্যদিবসের চেয়ে ১.৯৫ পয়েন্ট বেড়ে ৪৮১১.৫০ পয়েন্ট,  ডিএস-৩০ মূল্য সূচক .০৬ পয়েন্ট বেড়ে ১৬৬৩.৭৬ পয়েন্ট এবং ডিএসইএক্স শরীয়াহ্ সূচক  ২.৮১ পয়েন্ট বেড়ে ৯৮২.৫২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
লেনদেনকৃত  ২৯৩ টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১০ টির, কমেছে ১৫৩ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০ টি কোম্পানির শেয়ারের।
দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো-রহিম টেক্সটাইল, আইসিবি ইসলামিক মি. ফা., লিন্ডে বিডি, গ্লাক্সোস্মিথ কেলাইন, মিথুন নিটিং, এএমসিএল (প্রাণ), বিএটিবিসি, রেনেটা লিঃ, বাটা সু ও ইস্টার্ন হাউজিং লিঃ।
মঙ্গলবার ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স অবস্থান করে ৪৮০৯ পয়েন্টে। এদিন লেনদেন হয় ৭৭১ কোটি ৬৯ লাখ ৩৬ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। অর্থাৎ বুধবার ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ১৫১ কোটি ১১ লাখ ২১ হাজার টাকা।
বর্তমান বাজার পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক থাকায় সূচক ও দৈনিক লেনদেন একটা গ্রহণযোগ্য মাত্রায় রয়েছে। উত্থান এবং নিয়মিত সংশোধন হলে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধার‌্ণ মূল্য সূচক ৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৯৪৪৬ পয়েন্টে। আলোচ্য সময়ে লেনদেন হওয়া ২২৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৬৩টির, কমেছে ১৪৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ৫০ কোটি ৪১ লাখ টাকা।
[b]ঢাকা, ৫ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এসএমআর[/b]