[b]ঢাকা: [/b]এখন থেকে শর্তসাপেক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমতি ছাড়াই যেকোনো পণ্য আমদানির জন্য অগ্রিম পাঁচ হাজার ডলার পর্যন্ত পাঠানো যাবে। এর আগে নির্দিষ্ট তিনটি পণ্য আমদানির জন্য সর্বোচ্চ আড়াই হাজার ডলার অগ্রিম পাঠানো যেত।
বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন নীতিমালার ২৭/১ (বি) উপ-ধারায় সংশোধনী এনে গতকাল একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন নীতিমালা সহজিকরণের আওতায় এই সার্কুলার জারি করা হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন নীতিমালা অনুযায়ী এডি ব্যাংক শাখাগুলো বই, আন্তর্জাতিক জার্নাল এবং জীবন রক্ষাকারী ওষুধ আমদানির জন্য সর্বোচ্চ আড়াই হাজার ডলার পর্যন্ত পাঠাতে পারে। এখন থেকে আমদানি পণ্য হিসেবে বিবেচিত যেকোনো পণ্যের জন্য পাঁচ হাজার ডলার পর্যন্ত পাঠানো যাবে।
তবে এক্ষেত্রে আমদানি আদেশের সব নীতিমালা বিবেচনায় নিতে বলা হয়েছে। শর্তের মধ্যে বলা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী (এডি) শাখা অগ্রিম পরিশোধের আগে গ্রাহকের আমদানির বিপরীতে অর্থ পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত হবে। কোনো কারণে নির্দিষ্ট সময়ে পণ্য আমদানি না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক সে বিষয়ে দায়বদ্ধ থাকবে।
এ ধরনের পরিশোধ ব্যবস্থা চালুর আগে আমদানিকারকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে বলা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পরামর্শে বৈদেশিক মুদ্রা বিধিবিধান সহজিকরণ ও মূলধন হিসাব অধিকতর উন্মুক্তকরণে একটি কৌশলপত্র প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
কৌশলপত্রে নিবাসী কর্তৃক বৈদেশিক মুদ্রার ধারণের নীতিমালা শিথিল করার প্রস্তাব করা হয়। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মুহূর্তে কোনো নিবাসীর পক্ষে বৈদেশিক মুদ্রা ধারণ ও বিক্রয়ের সম্মতি প্রদান করেনি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, বৈদেশিক মুদ্রা বিধিবিধান সহজিকরণের লক্ষ্যে ১৭টি কার্যক্রম স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]