বাংলাদেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন এবং বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হয়েছেন প্রকৌশলী গোলাম মুর্শেদ।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর, ২০২০) গোলাম মুর্শেদকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। এর আগে তিনি প্রতিষ্ঠানটির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি (আইইউটি) থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক গোলাম মুর্শেদ ২০১০ সালে ওয়ালটনের সহকারী প্রকৌশলী পদে যোগ দেন। মেধা ও কঠোর পরিশ্রমে তিনি রেফ্রিজারেটরের ম্যানুফ্যাকচারিং অপারেশনের দায়িত্ব এবং পরবর্তীতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে পদোন্নতি পান।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে গোলাম মুর্শেদের জন্ম। তার পিতা মোঃ মনিরুল ইসলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেস ক্লাবের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

গোলাম মুর্শেদ দীর্ঘ এক দশক ধরে ওয়ালটনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। উৎপাদন ও বিপনন ব্যবস্থায় আধুনিকায়নের জন্য তিনি প্রশংসিত হন। তিনি বাংলাদেশ রেফ্রিজারেটর ম্যানুফ্যাকচারার অ্যান্ড এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন-এর সদস্য।

নতুন দায়িত্ব শতভাগ নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের মাধ্যমে ওয়ালটনকে আরো এগিয়ে নেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে গোলাম মুর্শেদ বলেন, ওয়ালটন বাংলাদেশের শীর্ষজনপ্রিয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড। এ দেশের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসায় ওয়ালটন আজ বিশ^বাজারেও নিজের শক্ত অবস্থান ক্সতরি করে নিয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশে ওয়ালটনের ক্সতরি পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। সারা বিশ্বে‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত পণ্য ছড়িয়ে দিতে চাই। বাংলাদেশকে ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্যের হাব বা কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।

আমাদের টার্গেট ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সেরা পাঁচটি কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডের একটি হবে ওয়ালটন। সে লক্ষ্য অর্জনই আমার মূল ধ্যান-জ্ঞান।

একই সঙ্গে, আবুল বাশার হাওলাদারকে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) এবং ওমর ফারুক রিপনকে চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এএস