অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে আয় বৈষম্য বাড়ছে। কিন্তু তা রোধে সমন্বিতভাবে কোনো পদক্ষেপ নেই। এমনকি সভা, সেমিনার এবং আলোচনার টেবিলেও উপেক্ষিত থাকছে বিষয়টি। এ বৈষম্য কমাতে আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর তাগিদ উঠে এসেছে ‘রিজিওনাল ইনটিগ্রেশন ইন সাউথ এশিয়া’ শীর্ষক সম্মেলনে।

আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে সাউথ এশিয়া নেটওয়ার্ক অব ইকোনমিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসএএনইআই) এবং বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) যৌথ উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলন শুরু হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান বিশেষ অতিথি ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক টি এন শ্রীনিবাসনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে এসএএনইআইয়ের সমন্বয়ক ও বিআইডিএসের মহাপরিচালক মুস্তফা কে মুজেরী স্বাগত বক্তব্য দেন।

সম্মেলনে পাকিস্তানের সাবেক অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী ও করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য হাফিজ এ পাশার ‘রিজিওনাল ইনটিগ্রেশন ফর ইনক্লুসিভ গ্রোথ ইন সাউথ এশিয়া’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপনের কথা থাকলেও ভিসা জটিলতায় তিনি আসতে পারেননি। তাঁর পক্ষে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এম আলী খান।

অর্থমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, উন্নয়নের জন্য দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা জরুরি। বর্তমান সরকার এ ব্যাপারে যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। যোগাযোগ ব্যবস্থায় এ ব্যাপারে বেশ অগ্রগতি হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

উন্নয়নের জন্য শান্তিময় পরিবেশও জরুরি এবং গত বছর তা ব্যাহত হয়েছিল উল্লেখ করে মুহিত বলেন, ‘বাংলাদেশে অনেক অস্থির অবস্থা ছিল গত বছর। অনেক গুপ্তহত্যা হয়েছিল তখন। সৌভাগ্য যে, জনগণ গুপ্তহত্যা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আট মাস ধরে দেশে শান্তি বিরাজ করছে।’

উদ্বোধনী দিনে দুটি প্যানেল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। কাল রোববার আরও দুটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ঢাকা, ৩০ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ