বিজিএমইএ ভবনে বেতন নিতে আসা শ্রমিকের সংখ্যা খুবই নগণ্য। তোবা গ্রুপের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর এক হাজার ৪২৬ শ্রমিকের মধ্যে বুধবার দুপুর ২টা পর্যন্ত মাত্র ৫১ জন উপস্থিত হন। এর মধ্যে ৩৬ শ্রমিক, বাকিরা নিরাপত্তাকর্মী ও ক্লিনারে কাজ করেন।
বেতন দাবিতে ঈদের আগের দিন থেকে রাজধানীর বাড্ডায় তোবা গ্রুপের কারখানায় প্রায় দেড় হাজার শ্রমিক অনশন শুরু করেন। বাংলাদেশের পোশাক প্রস্তুতকারী ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দুই মাসের বেতন পরিশোধের ব্যবস্থা করেন। তবে শ্রমিকরা পুরো তিন মাসের বেতন দাবি করেন, অন্যথায় ধর্মঘট ও হরতালের মতো কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
অন্যদিকে বিজিএমইএ বুধবারের মধ্যে দুই মাসের বেতন না নিলে পরবর্তী সময়ে কোনো দায়দায়িত্ব নেবে না বলে সাফ জানিয়ে দেয়।
বুধবার সকাল থেকে বিজিএমইএ’র ডাকে সাড়া দেয় অল্প সংখ্যক শ্রমিক। অবশ্য বিজিএমইএ বলছে, শ্রমিক সংগঠনগুলোর বাধার কারণে উপস্থিতি কম।
বুধবার সকাল ১০টা থেকে কারওয়ান বাজারে বিজিএমইএ’র কার্যালয়ে বেতন দেওয়া শুরুর পর সাড়ে চার ঘণ্টায় মোট উপস্থিতির সংখ্যা ছিল ৫১ জন। এর মধ্যে ৩৬ জন শ্রমিক। বাকিরা নিরাপত্তাকর্মী ও ক্লিনার।
বিজিএমইএ ভবনে তোবার পাঁচটি কারখানার জন্য পাঁচটি বুথে টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। শ্রমিকদের দুই মাসের বেতন বাবদ দুই কোটি ৩৪ লাখ টাকার ব্যবস্থা করে বিজিএমইএ।
শ্রমিকদের দাবি অনুযায়ী, তোবা গার্মেন্টসে গিয়ে কেন শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করা হয়নি- এমন প্রশ্নের জবাবে বিজিএমইএ’র সভাপতি আতিকুর রহমান বলেন, বিজিএমইএ কার্যালয়ে আসতে শ্রমিকদের জন্য পাঁচটি বাস প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আমাদের এই কার্যক্রম বিকেল ৬টা পর্যন্ত চলবে। কেউ আসতে ব্যর্থ হলে এর দায়দায়িত্ব তার।
বুধবার বেতন নিতে না পারলে কিভাবে দেওয়া হবে- জানতে চাইলে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ে বিজিএমইএ অফিসে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতে বেতন না পাওয়ার কোনো দায় বিজিএমইএ’র ওপর বর্তাবে না।’
ঢাকা, ৬ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





