সময়োপযোগী ও বাস্তবধর্মী সুষম বাজেটের উপর নির্ভর করে একটি দেশের জনকল্যাণ ও উন্নয়ন। তাই এবারের বৈশ্বিক মহামারীকে বিবেচনায় নিয়ে জীবন ও জীবিকা দুটোকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে ২০২১-২০২২ সালের বাজেট প্রণয়ন করতে হবে।

জীবনের ভয়ে যেমন জীবিকাকে উপেক্ষা করা যাবে না তেমনি জীবিকার জন্য জীবনকেও অনিরাপদ করা যাবে না। জীবনের অযুহাতে লাগামহীনভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা জাতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়ার শামিল। তাই স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও উৎপাদন খাতকে চালু রাখতে হবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে অচিরেই শিক্ষাঙ্গন ও ব্যবসা বাণিজ্য খুলে দেয়া নাহলে জাতির সর্বনাশ হয়ে যাবে।

বিদেশমুখী লোকদেরকে দক্ষ করে গড়ে তোলা এবং বিদেশফেরৎ লোকদেরকে প্রশিক্ষিত করে কর্মক্ষেত্র দেয়ার জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে। কালো টাকা সাদা করার জন্য কর্মমুখী শিক্ষা, করোনা রিলেটেড হাসপাতাল ও বিদেশফেরৎ লোকদের জন্য কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্পে বিনিয়োগকে অধিক গুরুত্বারোপ করা দরকার। জনসংখ্যার আলোকে দেশের সামগ্রিক চাহিদা অনুযায়ী জিডিপির গ্রোথ যেখানে হওয়া দরকার ছিলো ১১/১২ শতাংশ সেখানে ৬/৭ শতাংশ নিয়ে আত্মতুষ্ট হওয়া উচিৎ নয়।

কর ফাঁকি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি সামাজিকভাবে তাদেরকে বয়কট করতে হবে।

দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ীক সংগঠন ‘ইন্ডাষ্ট্রিয়ালিষ্ট এন্ড বিজনেসম্যান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশান’ কর্তৃক আয়োজিত বাজেট পূর্ব আলোচনায় অতিথিগণ এসব প্রস্তাব ও পরামর্শ প্রদান করেন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ।

প্রধান আলোচক ছিলেন বারভিডার চেয়ারম্যান আব্দুল হক। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি মুহাম্মদ শহীদুল ইসলাম। সঞ্চালনায় ছিলেন এর জেনারেল সেক্রেটারি ডা. আনোয়ারুল আজিম।

অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- এএসএম রঈসউদ্দীন, একেএম রফিকুন্নবী, ইঞ্জিনিয়ার ফারুক আহমেদ, সাখাওয়াত হোসেন, নজরুল ইসলাম খাদেম, শামসুল ইসলাম বরাটি, মোশাররফ হোসেন, মোয়াজ্জেম হোসেন, আব্দুল খালেক, আমীর হোসেন, ডা. একেএম ফজলুল হক, শামসুদ্দোহা মাসুম, আনোয়ারুল ইসলাম রাজু, সগীর বিন সাঈদ, ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, নুরুজ্জামান, গোলাম সরোয়ার প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এমবি