আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ক্রেডিট সুইসের প্রতিবেদন অনুসারে, বিশ্বের বর্তমান সম্পদের মূল্য ২৬৩ ট্রিলিয়ন ডলার। আর এর অর্ধেকই রয়েছে মাত্র ১ শতাংশ ধনীর হাতে। এ সম্পদ বৈষ্যমের ফলে মন্দা ত্বরান্বিত হতে পারে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।
গত মঙ্গলবার প্রকাশিত ক্রেডিট সুইস গ্লোবাল ওয়েলথ রিপোর্টে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এ অস্বাভাবিক অনুপাত মন্দা সৃষ্টি করতে পারে। কারণ উচ্চ বৈষম্য অর্থনৈতিক সংঘর্ষের পথে নিয়ে যায়।
২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে বৈশ্বিক সম্পদ রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬৩ ট্রিলিয়ন ডলারে, যা ২০১৩ সালের মাঝামাঝির তুলনায় ২০ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন বা ৮ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। ২০০০ সালের পর থেকে এ সময় পর্যন্ত পারিবারিক সম্পদ বেড়েছে দ্বিগুণ।
সম্পদে এগিয়ে রয়েছে ‘ল্যান্ড অব ফরচুনস’ যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বের মোট সম্পদের ৩৪ দশমিক ৭ শতাংশ (৯১ ট্রিলিয়ন ডলার) রয়েছে এখানে। ইউরোপের সম্পদও রয়েছে এর কাছাকাছি, ৩২ দশমিক ৪ শতাংশ। ভারত ও চীনের সম্পদ ২৩ দশমিক ৭ শতাংশ এবং ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ রয়েছে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে। বিশ্বে গড় সর্বোচ্চ সম্পদ ও জিডিপিতে শীর্ষে উত্তর আমেরিকা।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০১৯ সালে বিশ্বে মিলিয়নেয়ারের সংখ্যা বর্তমানের ৩ দশমিক ৫ কোটি থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ৫ দশমিক ৩ কোটিতে। এ সময় বিশ্বসম্পদ ৪০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়াবে ৩৬৯ ট্রিলিয়ন ডলারে।
নতুন অর্থ এসেছে চীনসহ বিভিন্ন উদীয়মান বাজার থেকে। ২০০০ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত উদীয়মান বাজারের সম্পদ বিশ্বসম্পদের ১১ দশমিক ৪ শতাংশ।
সূত্র: আরটি।
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমআর





