বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী ইমাজউদ্দিন প্রামাণিক বলেছেন, বর্তমান সরকার ২০১০-১১ থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত বিজেএমসি থেকে ৪ লাখ ৯০ হাজার ৮৭১ মেট্রিক টন পাটজাত পণ্য রফতানি করে ৩ হাজার ৯৫৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা আয় করেছে।
মঙ্গলবার সংসদে সরকারি দলের নূরুল ইসলাম সুজনের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ২০১০-১১ অর্থবছরে ১ লাখ ১৭ হাজার ৮৫৫ মে. টন পাট পণ্য রফতানি করে ১ হাজার ৩২ কোটি টাকা, ২০১১-১২ অর্থবছরে ১ লাখ ২৮ হাজার ১০৩ মে. টন পাট পণ্য রফতানি করে ১ হাজার ৫৮ কোটি টাকা, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৩৭ মে. টন পাটপণ্য রফতানি করে ১ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা এবং ২০১৩-১৪ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত ৬৭ হাজার ৮৭৬ মে. টন পাট পণ্য রফতানি করে ৫০৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা আয় করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সকল প্রকার প্যাকিং-এর কাজে পাটপণ্য ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য এবং দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির প্রয়োজনে বর্তমান সরকার যে কোন ধরনের ব্যাগ বা থলের পরিবর্তে প্রাকৃতিক তন্তু পাটজাত পণ্য বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহারের নিমিত্তে সরকার ‘ম্যান্ডেটরি প্যাকেজিং এ্যাক্ট-২০১০’ প্রণয়নের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকল মহলকে অবহিত করেছে।
তিনি বলেন, আইনটি ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে এবং তা ওই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।
মন্ত্রী বলেন, এই আইনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও খাদ্যের গুণগত মান রক্ষা, জলাবদ্ধতা রোধ ও মাটির উর্বরতা রক্ষা করার জন্য সরকার পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে।
তিনি বলেন, আইনের নির্দেশনা মোতাবেক ধান, চাল ও গমের ক্ষেত্রে শতভাগ পাটের বস্তা ব্যবহার করতে হবে। রাইস মিল/চাতাল মালিক ও চালের দোকানাদারদেরও ব্যবসার উদ্দেশ্যে শতভাগ পাটের বস্তা ব্যবহার করতে হবে।
ঢাকা, ১ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ





