আগামী বাজেটে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বিভিন্ন তামাকজাত পণ্যের উপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন। একই সাথে চলতি বছর থেকেই করপোরেট কর কমানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানান তিনি। বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন তিনি।
টোব্যাকো পণ্যের উপর কর বৃদ্ধি প্রসঙ্গে গোলাম হোসেন বলেন, তামাকজাত পণ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। সুতরাং ‘দে মাস্ট পে হাই ট্যাক্স।’ তামাকের সব সাব-সেক্টরকে হাই ট্যাক্স দিতে হবে। সেটা কি ধরনের হবে তা নিয়ে বর্তমানে কাজ করছে এনবিআর।
তিনি বলেন, যে সকল পণ্য স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর সেগুলোর উপর কর বৃদ্ধি করা হবে। আর এ করের টাকা দিয়ে ক্যান্সার হাসপাতালসহ দ্বাতব্য প্রতিষ্ঠানে দেওয়া হবে। এসময় তিনি বলেন, দেশে কি পরিমাণ জর্দ্দার ফ্যাক্টরী রয়েছে তা কারো কাছেই তথ্য নেই। এ বছর এগুলোর তালিকা করে করারোপ করা হবে। তাছাড়া ধুমাপান জাতীয় সকল পণ্যের উপরই কর আরো বৃদ্ধি করা হবে।
এ বছর থেকেই করপোরেট কর ৩৭.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ব্যক্তি পর্যায়ের করের সমপর্যায়ে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন গোলাম হোসেন। তিনি আরো বলেন, বিশ্বের সকল দেশেই ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য করপোরেট কর অন্যান্য করের তুলনায় কম। বাংলাদেশে এর ব্যতিক্রম হওয়া করপোরেটরা সব সময়ই পিছিয়ে রয়েছ। অর্থমন্ত্রীর নির্দেশেই ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেট থেকেই এ কর কমিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। আর আগামি পাঁচ বছরের মধ্যে তা কমিয়ে ৩৭.৫ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা লক্ষে এনবিআর কাজ করছে।
এ সময় তিনি বলেন, প্রতিবছরই বাজেটের পর রিকন্ডিশন গাড়ি নিয়ে ঝামেলা তৈরি হয়। বাজেটের আগে নিয়ে আসা গাড়ি খালাসের অভাবে নতুন শুল্ক দিতে হয়। সেক্ষেত্রে গাড়ি আমদানিকৃত প্রতিষ্ঠানকে বাজেটের আগেই রাজস্ব বোর্ড জানাতে হবে।
[b]ঢাকা, ৬ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]