পুঁজিবাজারে চলতি বছরের মধ্যে আবারও সর্বনিম্ন লেনদেনের রেকর্ড হয়েছে বৃহস্পতিবার। এর আগে গত রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দ্বিতীয় সর্বনিম্ন লেনদেনের রেকর্ড হয়। তবে এ দিন অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দ্বিতীয় সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। তবে সপ্তাহের শেষ লেনদেনে দেশের উভয় বাজোরে সূচক বেড়েছে।
বাজার বিশ্লেষনে দেখা গেছে,  ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪৫৫৮ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৯১টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৯৫টির, কমেছে ৬৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ২৭৭ কোটি ৬৪ লাখ ৫১ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।
শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৯৮৯ পয়েন্টে। আর ডিএস-৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৬৩৫ পয়েন্টে।
বুধবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স অবস্থান করে ৪৫১৯ পয়েন্টে। এ দিন লেনদেন হয় ৩৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৯ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। বৃহস্পতিবার লেনদেন কমেছে ৬০ কোটি ৪০ লাখ টাকা ২৮ হাজার টাকা।
এর আগে গত রোবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ২৯২ কোটি ৫১ লাখ টাকা।
বৃহস্পতিবার সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে এমারেল্ড অয়েলের। এ দিন এ কোম্পানির ৩৮ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। টাকার অংকে যার পরিমাণ ১৯ কোটি ৬৪ লাখ ১৪ হাজার ২০০ টাকা।
ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারগুলোর দর তুলনামূলক বাড়ার কারণে সূচক রেখা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
শেয়ার সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে সামান্য দর বেড়েই সূচকে তা প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তবে কৃত্রিমভাবে সূচক ঊর্ধ্বমুখী রাখার অভিযোগ করেছেন বিনিয়োগকারীরা।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক ৮০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৮৮৬৫ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২১৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৪টির, কমেছে ৬২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি কোম্পানির শেয়ার দর।
টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ২৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। বুধবার সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৩৭ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সিএসইতে লেনদেন কমেছে ৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা।
এর আগে গত রোববার সিএসইতে চলতি বছরের সর্বনিম্ন ২৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা লেনদেন হয়।
[b]ঢাকা, ২০ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]