বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে আইএমএফের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী।

এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর এসেছে আগামী তিন বছরে আইএমএফের কাছ থেকে ৪৫০ কোটি মার্কিন ডলার বাজেট সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। এ ঋণ দিতে আগ্রহ দেখিয়েছে সংস্থাটিও।

ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃচ্ছ্রসাধনের নীতি নিয়েছে। কৃচ্ছ্রসাধনের ব্যাপারে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীসহ সবাই আমরা কৃচ্ছ্রসাধনের ব্যাপারে কথা বলছি।

যেসব প্রকল্প এই মুহূর্তে করা প্রয়োজন শুধু সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। বাকিগুলো আপাতত স্থগিত থাকবে। প্রকল্পের ক্ষেত্রে আমরা এ, বি, সি ভাগ করে দিয়েছি। যেগুলো অত্যন্ত জরুরি সেগুলো আগে বাস্তবায়ন করা হবে।

এইচএন