[b]ঢাকা: [/b]ঘোষিত মূদ্রানীতিতে সুদের হার হ্রাস করার বিষয়ে কোন দিক-নির্দেশনা পরিলক্ষিত হয়নি। প্রতিযোগী বেশির ভাগ দেশের ঋণের সুদের হার বাংলাদেশের চেয়ে কম। ফলে কম সুদে ঋণ নিয়ে ওইসব দেশের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাচ্ছেন। সুদের হার বেশি হলে বিনিয়োগ কম হবে।
ফলে জনবহুল এ দেশে কাঙ্খিত কর্মসংস্থান ও দারিদ্র বিমোচন হবে না। প্রবৃদ্ধির ধারাও ব্যাহত হবে। বর্তমানে উচ্চ সুদের পাশাপাশি ব্যাংকসমূহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সমন্বয়হীনভাবে ব্যাংক চার্জ আদায় করছে যা [font=Vrinda]Cost of doing business[/font] বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিনিয়োগের স্বার্থে সকল খাতের ব্যাংক ঋণের সুদের স্প্রেড ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা প্রয়োজন বলে এফবিসিসিআই মনে করে। সেসাথে বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার উপরও নজর দেয়া প্রয়োজন।
বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত মুদ্রানীতির বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। তবে সার্বিকভাবে এবারের মুদ্রানীতি বিনিয়োগ ও ব্যবসা বান্ধব হওয়ায় এ মুদ্রানীতিকে স্বাগত জানিয়েছে সংগঠনটি।
নতুন মুদ্রানীতিতে দেশের বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি হ্রাসের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে এবং বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহের লক্ষ্যমাত্রাকে বাড়ানো হয়েছে যা ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে এফবিসিসিআই মনে করছে। এছাড়াও ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ গ্রহনে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে যা ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ গ্রহনের পরিমান কমিয়ে আনতে সহায়তা করবে।
মূদ্রা সরবরাহ, বিনিময় হার এবং মূল্যস্ফীতির হারের মধ্যে সমন্বয় করে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের স্বার্থে ভারসাম্যপূর্ন মূদ্রানীতি প্রণয়ন করার জন্য এফবিসিসিআই বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বাগত জানিয়েছে।
নতুন মুদ্রানীতিতে বেসরকারী খাতে ঋনের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ১৬.৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে যা বেসরকারী খাতে ঋণ প্রবাহে সহায়তা করবে এবং বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করবে। তবে গত জুলাই-ডিসেম্বর,২০১৩ সময়ে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা ১৫.৫ শতাংশ থাকা সত্ত্বেও বেসরকারী খাতে তেমন একটা ঋনপ্রবাহ ছিল না। রাজনৈতিক পরিস্থিতিজনিত ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশের অনুপস্থিতি, অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা এবং তদুপরী উচ্চ সূদের হার ও সামঞ্জস্যহীন ব্যাংক চার্জের কারনে বেসরকারী খাতে কাঙ্খিত হারে ঋণ প্রবাহ হয়নি। যার কারনে ব্যাংকে অতিরিক্ত তারল্যের সৃষ্টি হচ্ছে । এ অর্থকে বিনিয়োগে নিয়ে আসতে না পারলে অনুৎপাদনশীল খাতে চলে যেতে পারে যা ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। বাজারে মূদ্রা সরবরাহ কম থাকলেও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারনে মূল্যস্ফীতির উপরও প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছে সংগঠনটি।
উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে সহজ শর্তে পর্যাপ্ত ঋণ যোগানে বিশেষ নজর দেয়া এবং উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে ব্যাংকসমূহকে খাতভিত্তিক ঋণ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার জন্য এফবিসিসিআই আহ্বান জানিয়েছে। সেসাথে ঋন বিতরণে গুনগত মানের প্রতি বেশী নজর দেয়ার পাশাপাশি মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন বলেও এফবিসিসিআই মনে করছে।
[b]
বাজেটের জন্য প্রস্তাব আহ্বান এফবিসিসিআইয়ের[/b]
আগামী ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে ব্যবসায়ীদের দাবি-দাওয়ার প্রস্তাব পাঠানোর জন্য ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর কাছে চিঠি পাঠিয়েছে এফবিসিসিআই। গত মঙ্গলবার ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারের কাছে পাঠানো চিঠিতে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের ২০ তারিখের মধ্যে প্রস্তাব পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে।
আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও আমদানি শুল্কের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের দাবি যৌক্তিক উপায়ে তুলে ধরার জন্য বলা হয়েছে। এফবিসিসিআই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতি বছরের জুন মাস থেকে নতুন অর্থ বছর শুরু হয়। জুনের শুরুর দিকে সংসদ অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী পরবর্তী বছরের আয় ও ব্যয়ের বাজেট তুলে ধরেন।
তবে বাজেট প্রণয়নের মূল কাজ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এদিকে এনবিআর সূত্র জানিয়েছে, বাজেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের কাছে মতামত চেয়ে চিঠি পাঠানো শুরু করেছে এনবিআর। এছাড়া ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর কাছে এনবিআরের পক্ষ থেকেও প্রস্তাব চেয়ে শিগগিরই চিঠি পাঠানো হবে।
[b]ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএমআর [/b]
মুদ্রানীতিতে সুদ হার কমানোর কোন দিক-নির্দেশনা নেই
ঘোষিত মূদ্রানীতিতে সুদের হার হ্রাস করার বিষয়ে কোন দিক-নির্দেশনা পরিলক্ষিত হয়নি। প্রতিযোগী বেশির ভাগ দেশের ঋণের সুদের হার বাংলাদেশের চেয়ে কম। ফলে কম সুদে ঋণ নিয়ে ওইসব দেশের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাচ্ছেন। সুদের হার বেশি হলে বিনিয়োগ কম হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ, ব্যাংকিং লেনদেনে কি প্রভাব পড়বে?
সাইবার হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। তবে ওয়েবসাইট বন্ধ থাকলেও দেশের ব্যাংকিং লেনদেন ও কোর ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
জরুরি নিরাপত্তা ইস্যুতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
জরুরি নিরাপত্তাসংক্রান্ত সমস্যার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
আগামীকাল থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে থাকছে দেশের ব্যাংক ও শেয়ারবাজার। ছুটির আগে সোমবার শেষ কার্যদিবস আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর)। এরপরে টানা পাঁচদিন ছুটি।
আজ খোলা থাকবে সব ব্যাংক
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে এর আগে আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) ব্যাংকগুলো স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে। এছাড়া শেয়ারবাজার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানও খোলা থাকবে।
দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে টানা পাঁচ দিনের ছুটি থাকছে। আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিন দুর্গাপূজার ছুটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পরের দুই দিন ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।
















