প্রথম ঘণ্টার লেনদেনে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক কমেছে ২৬ পয়েন্ট। সেই সঙ্গে বড় পতন হয়েছে অপর দুই সূচকের। লেনদেনে অংশ নেওয়া ১০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানও দাম বাড়ার তালিকায় স্থান করে নিতে পারেনি। আর লেনদেন হয়েছে ১০০ কোটি টাকার কিছু বেশি।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) প্রথম ঘণ্টার লেনদেনে সবকটি মূল্যসূচক ঋণাত্মক অবস্থায় রয়েছে। সেই সঙ্গে দাম বাড়ার থেকে দাম কমার তালিকায় রয়েছে নয় গুণ বেশি প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি এই বাজারটিতেও লেনদেনে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে।
এর আগে নানা গুজব ছড়িয়ে পড়ায় গত সোমবার শেয়ারবাজারে বড় দরপতন হয়। ওইদিন লেনদেন শুরু হওয়ার আগেই গুজব ছড়িয়ে পড়ে হ্যাকাররা একাধিক ব্যাংক হ্যাকিংয়ের চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে গুজব ছড়ায় প্রভাবশালী একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশ নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে। এছাড়া সামনে রিজার্ভ কমে যেতে পারে।
এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে পড়ায় শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক দেখা দেয়। আতঙ্কে লেনদেনের শুরু থেকেই এক শ্রেণির বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়ায়। ফলে শেয়ারবাজারে লেনদেনে শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমে যায়। যা অব্যাহত থাকে লেনদেনের পুরো সময়। ফলে সবকটি মূল্যসূচকের বড় পতন দিয়ে দিনের লেনদেন শেষ হয়।
মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) জাতীয় শোক দিবসের ছুটি থাকায় শেয়ারবাজারে লেনদেন হয়নি। তবে বুধবার লেনদেন শুরু বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমার মাধ্যমে। ফলে লেনদেন শুরু হতেই ৫ পয়েন্ট কমে যায়। লেনদেনের সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সূচকের পতনের মাত্রা বাড়তে দেখা যাচ্ছে।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১১টা ২২ মিনিটে ডিএসইতে মাত্র ১৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৪৪টির। আর ৮৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এনইউশো





