বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) তিনি সকালে শেরপুর জেলা শহরের খরমপুর মহল্লায় বিভিন্ন চামড়া ক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন। সূত্র : বাসস

তিনি বলেন, এ বছর সরকার গত কয়েক বছরের তুলনায় চামড়া ব্যবস্থাপনা খুবই ভালো রেখেছে, দামও অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে যারা দাম ভালো পায়নি বলে দাবি করেছেন তাদের চামড়ায় গোশত থাকায় তা পরিষ্কারের জন্য বাড়তি খরচ করতে হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, চামড়া যাতে অবৈধ পথে ভিনদেশে না চলে যেতে পারে সেজন্য সীমান্তে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ নজরদারী বাড়ানো হয়েছে।

এরপর তিনি জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার নাকুগাঁও স্থলবন্দর পরিদর্শনে যান। এসময় জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার, শেরপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আসাদুজ্জামান রওশনসহ শহরের বিভিন্ন চামড়া ব্যবসায়ী, চেম্বার নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেরপুর জেলায় এবার প্রায় ২৫ হাজার কাঁচা চামড়া ক্রয় করা হয়েছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। এসব চামড়া এখন লবণজাত করা হচ্ছে এবং ঢাকায় ট্যানারিতে বিক্রির জন্য আরো মাসখানেক সময় লাগবে বলে শহরের চামড়া আড়ত ব্যবসায়ীরা জানান।

এইচএন