বহুল আলোচিত রাষ্ট্রমালিকানাধীন বেসিক ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের তথ্য বের করতে বললেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান।
বৃহস্পতিবার চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, ‘ব্যাংকটির অনিয়ম প্রথম বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে উঠে আসে। এরপরে বিষয়টি সরকার ও দুদককে (দুর্নীতি দমন কমিশন) লিখিত আকারে জানানো হয়েছে।’
অভিযোগ পাওয়া গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে অর্থ আত্মসাতের জন্য বেসিক ব্যাংকের প্রাক্তন চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চুর দায়ের কথা বলা হলেও তার কোনো দায় খুঁজে পায়নি দুদকের অনুসন্ধান দল। তারা সমস্ত দোষ ব্যাংকটির প্রাক্তন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ওপর চাপিয়ে অনুসন্ধান শেষ করেছে। আর প্রাক্তন চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চুকে দায়মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে দুদক।
এ অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, ‘দুদক একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। দেশের স্বার্থে দুদক এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশা করছি। এখন যা করার তা দুদককেই করতে হবে। প্রাক্তন চেয়ারম্যানের কী কর্মকাণ্ড ছিল, সেসব তথ্য আপনারা (সাংবাদিকরা) বের করেন।’
এ সময় বেসিক ব্যাংকের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে কী ছিল- তা সাংবাদিকরা জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, ‘দুদকে খোঁজখবর নিয়ে দেখেন। বের করেন এ-সংক্রান্ত তথ্য। আমাদের যা করার তা করেছি।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী, নাজনীন সুলতানা, আবু হেনা মোহাম্মদ রাজি হাছান, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. বিরূপাক্ষ পালসহ বিভিন্ন বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
এএইচ





