কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান স্কুল ব্যাংকিং কনফারেন্সে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, তোমাদের দেখে আমার শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ছে। জীবনে যখন প্রথম কোন ব্যাংকের শাখা দেখলাম, খুব অবাক হয়েছিলাম। খুব ইচ্ছে হয়েছিল ভেতরে যাওয়ার, সেখানে কী হয় তা দেখার। কিন্তু তখন পারিনি। কারণ, ব্যাংক ছিল শুধুই বড়দের! প্রকৃতির নিয়মে আমিও বড় হলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লাম। গবেষণা করলাম সাধারণ ও অতি দরিদ্র মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ খোঁজার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালনের সৌভাগ্যও হলো। তবে, ভুলতে পারিনি শৈশবের সেই অতৃপ্তি, সেই অদম্য কৌতুহল না মেটাবার আক্ষেপ। তাই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হওয়ার পরপরই ব্যাংকগুলোকে স্কুল ব্যাংকিং চালু করার নির্দেশনা দেই।
শনিবার বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ব্যাংক আয়োজিত প্রথম স্কুল ব্যাংকিং কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্য গভর্নর এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আতিউর বলেন, দারিদ্র্য নিরসন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জাতীয় লক্ষ্যার্জনে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সেবাভুক্ত করতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি (ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন) এবং আর্থিক শিক্ষা (ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসি) এ দু’টি কর্মসূচির ওপর কয়েক বছর ধরেই বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক
গভর্নর বলেন, স্কুল ব্যাংকিং বিষয়ে গত বছরই আমরা বিস্তারিত নীতিমালা জারি করেছি। এর ফলে এখন মাত্র একশ টাকায় ৬-১৮ বছর বয়সী যে কোনো স্কুল শিক্ষার্থী ব্যাংক হিসাব খুলতে পারছে। এসব হিসাবে কেবলমাত্র সরকারি ফি ছাড়া অন্য কোনো সার্ভিস চার্জ বা ফি আরোপ করা হয় না। এসব হিসাবের মাধ্যমে ব্যাংকগুলো ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাসিক বেতন ও অন্যান্য ফি সংগ্রহ করতে পারবে। বৃত্তি/উপবৃত্তির টাকাও এসব হিসাবে জমা করা যাবে।
তিনি আরো বলেন, একাউন্টধারী শিক্ষার্থীরা ব্যাংকের বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে জানতে পারছে। এটিএম, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, অনলাইন ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং এর মতো তথ্যপ্রযুক্তিসম্পন্ন সেবার সাথে পরিচিত হতে পারছে। এসব সুবিধা তারা গ্রহণও করতে পারছে। অন্যদিকে অল্প বয়স থেকেই তাদের মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবণতা বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
[b]ঢাকা, ৮ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]
অর্থনীতি
‘ভুলতে পারিনি শৈশবের সেই অতৃপ্তি, কৌতুহল না মেটাবার আক্ষেপ’
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান স্কুল ব্যাংকিং কনফারেন্সে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, তোমাদের দেখে আমার শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ছে। জীবনে যখন প্রথম কোন ব্যাংকের শাখা দেখলাম, খুব অবাক হয়েছিলাম। খুব ইচ্ছে হয়েছিল ভেতরে যাওয়ার,





