অনুমোদিত ডিলার (এডি) বাংকগুলোর বৈদেশিক লেনদেনের প্রতিবেদন পাঠানোর প্রক্রিয়া শিথিল করা হয়েছে। যথাযথভাবে প্রতিবেদন তৈরিতে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বৈদেশিক লেনদেনের আমানত এবং বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব সংক্রান্ত তথ্য প্রেরণে নতুন ফরমেট দেওয়া হয়েছে। বৈদেশিক লেনদেনের তথ্য আরও নির্ভুলভাবে তৈরি করার উদ্দেশ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, আইএমএফের পরামর্শে বৈদেশিক লেনদেন আরও সহজ করার কৌশলপত্র গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সে লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশকিছু কৌশল বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কিছু বিষয় বাস্তবায়নের পথে।
স্বল্প মেয়াদের ইস্যুগুলো আগামী বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। অন্যান্য বিষয়গুলো বাস্তবায়নে প্রতি অর্ধবার্ষিকী শেষে (সেপ্টেম্বর’১৪) একটি বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।
কৌশলপত্রে মধ্যম অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ছয়টি কার্যক্রম বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। সেগুলো হলো- বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যবসা পরিচালনার জন্য অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের লাইসেন্স প্রদান পদ্ধতি সহজ করা, বৈদেশিক বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট লেনদেন সহজীকরণ, আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা, বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশ
হতে টাকা ঋণ গ্রহণের সুযোগ দেয়া, মূলধন প্রবাহের অধিকতার যুগোপযোগী ব্যবস্থাপনা এবং অনিবাসী বাংলাদেশিরা যাতে দেশে স্বল্প মেয়াদে তহবিল পাঠাতে পারে তার ব্যবস্থা করা।
আর দীর্ঘ মেয়াদে বাস্তবায়নের মধ্যে রয়েছে, নিবাসীরা দেশের বাহিরে বিনিয়োগের সুবিধা অনিবাসীদের বিনিয়াগের জন্য দেশে স্বল্প মেয়াদি মুদ্রাবাজার উন্মুক্তকরণ এবং নিবাসীদের জন্য দেশের বাহিরের মুদ্রাবাজারে বিনিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
ঢাকা, ১০ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর





