রাজধানীতে খুচরা বাজারে পেঁয়াজ, ফার্মের মুরগির ডিম ও মাছের দাম বেড়েছে। সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ২ দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৪০-৪২ টাকা থেকে বেড়ে ৪৪-৪৫ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৩৮-৪০ টাকা থেকে ৪২-৪৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

দেশি আদা কেজিতে ১০ টাকা কমে ১৭০-১৯০ টাকায়, চায়না আদা ২৪০-২৫০ টাকা, রসুন একদানা ১৫০ টাকা, বড় রসুন ৮০-৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া ব্রয়লার মুরগির লাল ডিম হালি প্রতি ২ টাকা বেড়ে ৩৪ টাকা এবং হাঁসের ডিম ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজারে পারিজা চাল কেজিতে ২ টাকা বেড়ে ৩৯-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে অন্যান্য চাল আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত দুই দিনের ব্যবধানে কাঁচামরিচ ১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০ টাকা, বেগুন ৩০-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৫০ টাকা এবং করলা ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া কাঁকরোল ৩০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, শসা ৩০-৪০ টাকা, সিম ৯০ টাকা, ঝিঙ্গা ৪০ টাকা, কচুর মুখি ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫-৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, ধুন্দল ৪০ টাকা, দেশি গাজর ৫০-৬০ টাকা, কচুর লতি ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, প্রতি হালি লেবু ২০-৩০ টাকা ও কাঁচাকলা হালি ২৫-৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

দোকানিরা ফুল কপি ২৫-৩০ টাকা, বাঁধা কপি ২৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩৫-৪০ টাকা, জালি কুমড়া ২৫-৩০ টাকা, লাউ ৪০-৫০ টাকা, সবুজ শাক আটি ৮ টাকা, লাউ শাক ২০ টাকা, লাল শাক ৫ টাকা, মুলা শাক ৫ টাকা, পুঁইশাক ১৫-২০ টাকা, ডাটা ১০-১৫ টাকা, কলমি শাক ৫ টাকা ও ধনে পাতা (১০০ গ্রাম) ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকা, লেয়ার মুরগি ১৭৫ টাকা, গরুর মাংস ৩০০ টাকা, খাসির মাংস ৪৮০-৫০০ টাকা ও কবুতর জোড়া ১৮০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাবদা ৬০০-৭০০ টাকা, মলা ৪৫০-৫০০ টাকা, চায়না পুটি ২০০-২৫০ টাকা, সিলভার কার্প ১৫০-১৮০ টাকা, প্রতি কেজি পাঙ্গাস ১৩০-১৮০ টাকা, রুই ২৬০-৩৮০ টাকা, রুপচাদা ১০০০-১১০০ টাকা, বাইলা ৪৫০-৬৫০ টাকা, বাইন ৬০০-৭০০ টাকা, চেওয়া ৫০০ টাকা, ছোট ফলি ৩০০-৪০০, তেলাপিয়া ১৭০-২২০ টাকা, মাঝারি পোয়া মাছ ৫৫০-৬৬০, চাষের কৈ ২৫০-৩০০ টাকা, ছোট চিংড়ি ৪৫০-৫৫০ টাকা, বড় চিংড়ি ৬০০-৯০০ টাকা, টেংরা ৫৫০-৭০০ টাকা, পাবদা ৬০০-৭৫০ টাকা, শিং মাছ ৫৫০-৮০০ টাকা, কাতল ২৬০-৪০০ টাকা, দেশি মাগুর ৬০০-৯০০ টাকা ও আকারভেদে ইলিশ প্রতিজোড়া ১২০০-২২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বিক্রেতা বলেন, ঈদের পর কয়েকদিন বাজারে ক্রেতা কম থাকায় মাছের দাম কম ছিল। এখন বাজারে চাহিদার তুলনায় মাছের যোগান কমে গেছে। তাই পাইকারি বাজারে বিক্রেতারা দাম বেশি রাখছেন। ফলে খুচরা বাজারে বেশিরভাগ মাছের দাম কেজিতে ২০-১০০ টাকা করে বেড়েছে।

দেশি মসুর ডাল ১০৫-১১০, ভারতীয় মসুর ডাল ৮০-৮৫ টাকা, অস্ট্রেলিয়ান মসুর ডাল ১১০-১১৫ টাকা, খেসারি ডাল ৪৫ টাকা, ছোলা ৬০ টাকা, মুগ ডাল ১১০-১১৫ টাকা, মটর ডাল ৮০ টাকা, অ্যাংকর ডাল ৪৬, বুট ডাল ৭০ টাকা, খোলা চিনি ৪৬-৪৭ টাকা, প্যাকেট চিনি ৫০ টাকা এবং আটা ৩২ টাকা দরে বিক্রি করছেন দোকানিরা।

এছাড়া প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১০৫-১১০ টাকা ও পামলিন ৯০ টাকা।

চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পারিজা চাল কেজিতে ২ টাকা বেড়ে ৩৯-৪০ টাকা হচ্ছে। তবে অন্যগুলো আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

মোটা চাল ৩৮ টাকা, মিনিকেট ১ নং ৪৮-৫০ টাকা, মিনিকেট ২ নং ৪৩-৪৪ টাকা, বি.আর. ঊনত্রিশ ৩৮-৪০ টাকা, বি.আর.আটাশ ৪০-৪২ টাকা, জিরা নাজিরশাইল ৫৮ -৬০ টাকা, হাচকি নাজিরশাইল ৪২-৪৩ টাকা এবং পোলাও চাল মানভেদে ৮০-৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ঢাকা, ১১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এমআর