থাইল্যান্ড ২০১৩ সালে ২২ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য ঘাটতির মুখে পড়েছে। চার বছরের মধ্যে এই প্রথম বাণিজ্য ঘাটতির কবলে পড়ল দেশটি। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী বছরের চেয়ে কমে গেছে তাদের রফতানি আয়। গত শুক্রবার ব্যাংক অব থাইল্যান্ডের (বিওটি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
রফতানি থেকে ২০১৩ সালে প্রায় ২২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে থাইল্যান্ড। পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় তা দশমিক ৩ শতাংশ কম। অন্যদিকে গত বছর দেশটির আমদানি ব্যয় ছিল ২৫০ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০১২ সালের আমদানির চেয়ে দশমিক ২৯ শতাংশ বেশি।
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে ডিসেম্বরে দেশটির ব্যবসায়ে আস্থা সূচক ৪৫-এ নেমে আসে। বিওটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১১ সালের ভয়াবহ বন্যার পর এটাই সর্বনিম্ন।
গত বছর থাইল্যান্ডের শেয়ারবাজারেও টালমাটাল অবস্থা দেখা গেছে। তবে তরিতরকারী ও অন্যান্য তাজা খাবার ও জ্বালানির মূল্য কমায় দেশটিতে মূল্যস্ফীতি তুলনামূলক ছিল কম।
থাই অর্থনীতির অন্যতম খাত পর্যটন থেকেও আয়ের পরিমাণ প্রত্যাশার তুলনায় কম ছিল গত বছর। থাইল্যান্ডের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পাশাপাশি চীনের নতুন পর্যটন আইনেরও প্রভাব রয়েছে এতে। গত বছর চীন সরকার নাগরিকদের বিলাস ব্যয় নিরুত্সাহিত করতে একাধিক নীতিগত পদক্ষেপ নেয়। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যটনে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তবে রাজনৈতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও জানুয়ারিতে আগের মাসের চেয়ে থাইল্যান্ডে পর্যটক আগমন বেড়েছে ৬ দশমিক ৭ ভাগ। ডিসেম্বরে এ প্রবৃদ্ধি ছিল ১১ দশমিক ৯ শতাংশ।
জানুয়ারিতে থাইল্যান্ড প্রায় ২৬ লাখ বিদেশী পর্যটক পেয়েছে।
দুই মাস ধরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে থাই অর্থনীতির বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিক্ষোভ প্রশমনে সরকারের নেয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গতকাল রোববার মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় থাইল্যান্ডে। সূত্র: সিনহুয়।
[b]ঢাকা, ৩ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এসএমআর[/b]