বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই'র সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ বলেছেন, "ইরানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। খুব শিগগিরই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নয়া দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে।"
তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসে ডিনার পার্টির অবকাশে রেডিও তেহরানকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
মাতলুব বলেন, "২১ জনের একটি বাণিজ্যিক প্রতিনিধি দল ইরান সফর করলেন। ইরানিদের সার্বিক আচরণ দেখে মনে হয়েছে তাদের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানো সম্ভব। প্লাস্টিকের কাঁচামাল ও তরল গ্যাস (এলএনজি)সহ বিভিন্ন পণ্য ইরান থেকে আমদানি করা সম্ভব। আমরা এসব পণ্য আমদানি করব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এরইমধ্যে এ বিষয়ে সমঝোতা স্মারকও সই হয়েছে।"
এফবিসিসিআই'র সভাপতি মাতলুব আহমাদের নেতৃত্বাধীন ২১ সদস্যের বাণিজ্যিক প্রতিনিধি দলে এনাম মেডিক্যাল কলেজ ও হসপিটালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এনামুর রহমান এমপিও রয়েছেন।
বাংলাদেশের বাণিজ্যিক প্রতিনিধি দলের সদস্যরা তেহরানে ইরানের "ওয়েল শো-২০১৬" এবং "২১তম আন্তর্জাতিক অয়েল, গ্যাস অ্যান্ড পেট্রোক্যামিকেল এক্সিবিশন" পরিদর্শন করেছেন। এক্সিবিশন পরিদর্শনের পর কয়েক জন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী বলেছেন, "ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। এলএনজিসহ পেট্রোক্যামিকেল পণ্য আমদানির পাশাপাশি শিক্ষা, প্রযুক্তি ও চিকিৎসা ক্ষেত্রেও সহযোগিতা জোরদার করা সম্ভব।"
তেহরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত একেএম মজিবুর রহমান ভূঁঞা এবং কাউন্সিলর এটিএম মোনেমুল হকও মনে করেন, "ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের পরমাণু সমঝোতা সইয়ের পর দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়ানোর যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে তা কাজে লাগানো সম্ভব হবে। তারা এ লক্ষ্যে কাজ করছেন।" এফবিসিসিআই'র সভাপতি বলেছেন, ইরান সফরে এসে তারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত একেএম মজিবুর রহমান ভূঁঞা'র সর্বাত্মক সহযোগিতা পেয়েছেন।
এমআইএস





