সম্প্রতি জনতা ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে লোকাল অফিসের এক্সিকিউটিভ অফিসার রাজীবুল হাসানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

ব্যাংকের এক কোটি নব্বই লাখ (১,৯০,০০,০০০) টাকা আত্মসাতের বিষয়টি এমডি’স ভিজিল্যান্স ডিপার্টমেন্টের নজরে আসে। টাকা আত্মসাতের বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে মঙ্গলবার (২২ মার্চ) ওই কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তার কাছ থেকে এ পর্যন্ত নগদ ও এফডিআর (নগদায়ন যোগ্য) মোট এক কোটি আটান্ন লাখ নব্বই হাজার টাকা উদ্ধার করেছে। অবশিষ্ট টাকা উদ্ধারের লক্ষ্যে অভিযুক্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে একটি অগ্রিম চেকসহ তার স্ত্রীর নামে রায়ের বাজারে অবস্থিত ফ্ল্যাটের মূল দলিল ব্যাংকের জিম্মায় নিয়েছে।

সার্বিক বিষয়ের ওপর তার কাছ থেকে একটি অঙ্গীকারনামাও নিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ সতর্কতাসহ দাফতরিক কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ইতোমধ্যে মঙ্গলবার মতিঝিল থানায় ব্যাংকের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নম্বর- ২১)।

এছাড়া আরও কোনো আত্মসাৎ বা অনিয়ম হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে ব্যাংকের ভিজিল্যান্স ডিপার্টমেন্ট এবং অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগের তদন্তকার্য অব্যাহত রয়েছে।

ব্যাংকের কোনো গ্রাহকের আমানত হিসাব থেকে কোনো অর্থ আত্মসাৎ হয়নি এবং শাখার সব গ্রাহকের স্বার্থ সুরক্ষিত আছে বলেও উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. মুকুল হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এআইজে