কয়েক সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর রাজধানীর বাজারে কমতে শুরু করেছে আমদানি করা রসুনের পাইকারি দর।
সব ধরণের পেঁয়াজ রসুন আর আদার দাম স্থিতিশীল থাকলেও কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে আলুর বাজারদর।
পাশাপাশি কেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে নাজিরশাইল, মিনিকেটসহ অন্যান্য চালের দাম। চিনি, আটা আর মসলার দাম কমতির দিকে থাকলেও চলতি সপ্তাহে বেড়েছে দেশি মশুর ডালের দাম।
তবে, অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম কমলেও সে তুলনায় বেচাকেনা হচ্ছে না বলেই দাবি ব্যবসায়ীদের।
মাসখানেক ধরেই রাজধানীর পাইকারি বাজারে দফায় দফায় বেড়েছে আমদানি করা রসুনের দাম। প্রকারভেদে প্রতিকেজি রসুনের সর্বোচ্চ দাম উঠেছিলো ২'শ থেকে ২৪০ টাকা পর্যন্তও।
তবে চলতি সপ্তাহে এসে রসুনের দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে।
তবে, আড়তগুলো বলছে, কেজিতে ২৫ থেকে ৩০ টাকা কমলেও দেশি রসুনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দামে আসতে আরো কয়েক সপ্তাহ লাগবে।
এদিক থেকে অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে পেঁয়াজের বাজার, এমনকি আদার দামেও আসেনি পরিবর্তন, তবে কিছুটা বেড়েছে আলুর দাম।
কমতির দিকে রয়েছে সব ধরণের চালের বাজার দরও, এ সপ্তাহে প্রতিকেজি নাজিরশাইলের দাম কমেছে ২ থেকে ৩ টাকা, মিনিকেট ২ টাকা ৫০ পয়সা, আর আটাশ চালের দাম কমেছে ৩ টাকা করে। এমনকি, শিগগিরই চালের দাম বাড়বে না বলেও জানিয়েছেন আড়তদাররা।
তবে, বেড়েছে দেশি মসুর, খেসারি আর মুগসহ অধিকাংশ ডালের দাম, কিছুটা কমেছে ছোলার দাম। নতুন ডাল সরবরাহ শুরু হলেই দাম কমে যাবে বলে মত ব্যবসায়ীদের।
স্থিতিশীল রয়েছে ভোজ্যতেলের বাজারও, প্রতিকেজি সয়াবিন ৮৮ টাকা, আর পাম অয়েল বিক্রি হচ্ছে ৬৩ টাকা দরে। এছাড়া সব ধরণের মশলা, আটা ময়দা আর গুড়োদুধের দাম ও রয়েছে অপরিবর্তিত।
এসএম





