সাত শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে প্রণীত হচ্ছে ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে বাজেট।বাজেটের আকার হবে ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকার।
বৃহস্পতিবার (০৩ মার্চ) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে আগামী অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ কথা জানান ।
অনুষ্ঠানে অর্থনীতিবিষয়ক গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বাজেট প্রসঙ্গে আলোচনা করেন অর্থমন্ত্রী।
এ সময় অর্থপ্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ, এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান, অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদুজ্জামান মাহমুদসহ পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই), ইকনমিক রিসার্চ গ্রুপ (ইআরজি), বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) এবং বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী অর্থবছরে বড় বড় প্রকল্পের জন্য আলাদা ক্যাপিটাল বাজেট দেওয়া হবে। পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ থাকবে পদ্মা সেতু প্রকল্পেও।
আগামী বাজেটের বিশেষ দিক তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আরো বেশ কিছু মেগা প্রকল্প নেওয়া হবে। এ কারণে আলাদা ক্যাপিটাল প্রোগ্রাম রাখা হবে। যেটাকে ক্যাপিটাল বাজেট বলা হচ্ছে। আরো ৫ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারের মেগা প্রকল্প নেয়া হবে।
বাংলাদেশের নিরাপদ অর্থনীতির কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, গত কয়েক বছর ধরে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দায়ও বাংলাদেশের অর্থনীতি নিরাপদে রয়েছে। গত ২০ বছর ধরে গ্রোথ স্ট্যাবিলিটি ভাল।
মন্ত্রী আরো জানান, বাংলাদেশেরও গ্লোবাল এইড বাড়াতে হবে। আমরা যেভাবে গ্লোবাল এইড থেকে লাভবান হয়েছি। অন্যদেরও সেই সুযোগ দিতে হবে। এখন উন্নয়ন অংশীদাররাও আমাদের গুরুত্ব দিচ্ছে। কোরিয়ার মতো লাভবান উন্নয়ন অংশীদার হওয়ার মতো চেষ্টা করবো আমরা।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে অর্থনীতিবিদরা আগামী বাজেটে সংযোজনের বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের সুপারিশ পেশ করেন।
এমআইএস।





