আগের ধারবাহিকতায় মঙ্গলবার তৃতীয় দিনের মতো দেশের উভয় পুঁজিবাজারে মূল্য সূচক ও লেনদেন কমেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত দশ কার্যদিবসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৮৭ কোটি টাকার। এর আগে গত ১৩ এপ্রিল ২২৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল।
দিনের শুরুতে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থাকলেও মাত্র পাঁচ মিনিটের মাথায় বাজার নিম্নমুখী হয়। দিনের বাকি সময় নিম্নমুখী প্রবণতায় লেনদেন হয়।
বাজার বিশ্লেষনে দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৫৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪৫৬৭ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৮৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৬৪টির, কমেছে ২০২টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ৩৮৭ কোটি ৫৮ লাখ ৭১ হাজার টাকা।
ডিএসইতে লেনদেন হওয়া সেরা দশ কোম্পানির তালিকায় রয়েছে, গ্রামীণ ফোন, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, হেইডেলবার্গ সিমেন্ট, স্কয়ার ফার্মা, রেনেটা, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, বাটা সু এবং পদ্মা অয়েল।
সোমবার ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স অবস্থান করে ৪৬২৪ পয়েন্টে। ওইদিন লেনদেন হয় ৪৩৫ কোটি ৮৬ লাখ ৪২ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সে হিসেবে মঙ্গলবার লেনদেন কমেছে ৪৮ কোটি ২৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা।
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সার্বিক বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণরত থাকায় সূচক ও লেনদেনে তেমন উন্নতি হচ্ছে না। আসন্ন বাজেটকে কেন্দ্র করে অনেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তবে লেনদেন নিষ্পত্তির সময়সীমা কমে যাওয়ায় অনেক বিনিয়োগকারী ধীরে ধীরে বাজারমুখী হওয়ার চেষ্টা করছেন মনে করছেন বাজার সংশ্লিস্টরা।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কমেছে সব ধরনের সূচক। এদিন সিএসই সার্বিক সূচক ১৭৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৪ হাজার ৫৮ পয়েন্টে। এই স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয়েছে ২১২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। দর বেড়েছে ৩৮ টির কমেছে ১৬২ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টির।
সোমবার সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩১ কোটি ২৩ লাখ টাকা। সে হিসেবে মঙ্গলবার সিএসইতে লেনদেন কমেছে ৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা।
[b]ঢাকা, ২৯ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]