বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবার ২৫ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে। এর আগে গত এপ্রিলে রিজার্ভ ২৪ বিলিয়ন এবং ফেব্রুয়ারিতে ২৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। রফতানি ও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি ছাড়াও বেসরকারি খাতে প্রচুর বিদেশি ঋণ আসায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, দেশের রিজার্ভের পরিমাণ এটাই সর্বোচ্চ। বৃহস্পতিবার দিন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ২৫ দশমিক ০২ বিলিয়নে পৌঁছে। এর আগে ২৯ এপ্রিল রিজার্ভ ২৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল।

অভ্যন্তরীণ খাদ্য উত্পাদন বাড়ার ফলে আমদানি চাহিদা তুলনামূলক কম থাকা এবং রফতানি ও রেমিট্যান্সে ভালো প্রবৃদ্ধিই এ বড় রিজার্ভের কারণ বলে তিনি মনে করেন। বর্তমানে যে রিজার্ভ রয়েছে তা দিয়ে সাত মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বাংলাদেশের এ রিজার্ভ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। প্রথম অবস্থানে থাকা ভারতের বর্তমান ৩১৫ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ রয়েছে। আর তৃতীয় অবস্থানে থাকা পাকিস্তানের বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার।

প্রাপ্ত তথ্য মতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) রফতানি আয় হয়েছে দুই হাজার ৯৯৪ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা প্রায় ৩ শতাংশ বেশি। আর এসময়ে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৩৮৮ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৭ দশমিক ২৬ শতাংশ বেশি। এ প্রবৃদ্ধি রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অন্যদিকে বেসরকারি খাতে প্রচুর বিদেশি ঋণ আসার ফলে সামগ্রিকভাবে রিজার্ভ বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন।

জেআই