স্বাধীনতার ৪৪ বছরেও স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের জন্য কোন নীতিমালা তৈরি হয়নি। যুগের পর যুগ ব্যবসায়ীরা দাবি করে আসলেও এ বিষয়টি আমলে নিচ্ছেন না কর্তা ব্যক্তিরা। কিছু সুবিধাভোগী আমলা ও প্রশাসনের লোকজনের কারণে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব থেকে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য উঠে আসে।

একটি যুগোপযোগী, ব্যবসাবান্ধব স্বর্ণ নীতিমালা না হওয়া পর্যন্ত জুয়েলারী ব্যবসায়ীদেরকে হয়রানি না করার দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাজুস নেতাদের বক্তব্য থেকে আরো স্পষ্ট হয়, কোথা থেকে স্বর্ণ আসে, কিভাবে ব্যবসা হয় এর সঠিক উত্তর নেই কারো কাছে। অথচ ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে ভ্যাট, ট্যাক্স নিচ্ছে সরকার।

ব্যবসায়ী নেতাদের অভিযোগ, ব্যবসার অনুমতি দিলেও আমদানির অনুমতি নেই। তাই মাঝে মধ্যেই ব্যবসায়ীদের পুলিশ ও শুল্ক গোয়েন্দাদের দ্বারা বিভিন্ন হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। কোন ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই স্বর্ণ জব্ধ, শো-রোম সিলগালার মত ঘটনাও ঘটছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাজুসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন। এ সময় বাজুসের সভাপতি গঙ্গা চরন মালাকার ও সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালাসহ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, জুয়েলারী শিল্পের প্রধান কাঁচামাল স্বর্ণের আমদানী শুল্ক অত্যাধিক হওয়া এবং ব্যাংকিং ও অন্যান্য জটিলতার কারণে ব্যবসায়ী পর্যায়ে স্বর্ণ আমদানি করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলশ্রুতিতে এই শিল্পের নিবন্ধিত ১৭ হাজার প্রতিষ্ঠানের ২৮ লাখ লোক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

জারিফ