ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) সভাপতি হোসেন খালেদ বলেছেন, ‘তৈরি করা কারখানায় মাস-বছর পার হলেও গ্যাস-বিদ্যুতের অভাবে চালু করা যাচ্ছে না শিল্পকারখানা। ফলে মুখ থুবরে পড়ছে শত শত কারখানার মালিক।

রাজধানীর মতিঝিলে শনিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যাণ্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিভিন্ন শিল্পকারখানার ২ হাজার আবেদন পড়ে আছে। মাস-বছর পার হচ্ছে কিন্তু গ্যাস-বিদ্যুতের সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অচল অবস্থায় পড়ে আছে শিল্প কারখানা।

তিনি বলেন, আমরা টাকা পয়সা খরচ করে কারখানা করবো। এই জন্য সরকার থেকে কোনো সহায়তা চাচ্ছি না। কিন্তু গ্যাস-বিদ্যুতের সংযোগ সরকার না দিলে তখন আমরা কিছুই করতে পারছি না। গ্যাস চলে যাচ্ছে অউৎপাদন খাতে। ফলে শিল্প কারখানাগুলো গ্যাস পাচ্ছে না। এছাড়া অনেক কারখানায় গ্যাস থাকলেও চাপ না থাকায় উৎপাদনে যেতে পারছে না।

তিনি দাবি করেন, গ্যাসের অপচয় রোধে প্রত্যেক বাসা-বাড়িতে এখন ইভিএম মিটার লাগানো জরুরি। পাশাপাশি হিট এনার্জি ও টেকসই জ্বালানির দিকে নজর দিতে হবে।

তিনি জানান, সরকার ব্যবসায়ীদের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা দিলে কর্মসংস্থানের যোগান দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের।

এ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, আপনারা নিজেদের শিল্পগুলোকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে নিয়ে আসুন। জমির চিন্তা করেই এসব অঞ্চল করা হয়েছে। সেখানে কোয়ালিটি বিদ্যুৎ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, গ্যাস আমদানির জন্য ল্যাণ্ড বেসড এলএনজি টার্মিনাল করার ব্যবস্থা হচ্ছে। প্রতিবেশী দেশ থেকেও গ্যাস আমদানির কথা ভাবা হচ্ছে। মিয়ানমার বা ভারতের ত্রিপুরা থেকে এটা পাওয়া যেতে পারে। বেসরকারিভাবে কেউ যদি প্রতিবেশী দেশ থেকে গ্যাস আমদানি করতে চায় তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে। এছাড়া মৌসুমভিত্তিক সার কারখানাগুলো বন্ধ করে দিয়ে আপনাদের গ্যাস দিতে চাই।

 

এআই