কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, নানাবিধ কারণে প্রকাশনা শিল্প হুমকির সম্মুখীন। বাংলা বইয়ের বাজার সীমিত হয়ে পড়া, বইয়ের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া ও পাইরেসির দৌরাত্বে সৃজনশীল বইয়ের প্রকাশনাকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে স্বল্পসুদে ঋণ বিতরণ কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ফলে জ্ঞান-ভিত্তিক অর্থনীতির পাটাতন শক্তিশালী হবে মন্তব্য করেন গভর্নর।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর রুপসী বাংলা হোটেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের আওতায় সৃজনশীল বই প্রকাশকদের ঋণ বিতরণ উদ্ভোধনকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এসব কথা বলেন।
ড. আতিউর বলেন, এই উদ্যোগটি হলো জ্ঞান ও সৃজনশীল বই প্রকাশকদের (যাদের অধিকাংশই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা) উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের আওতায় স্বল্পসুদে অর্থাৎ সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ সুদহারে ঋণ বিতরণ কর্মসূচি। তিনি বলেন, ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজ খাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব উৎস হতে গঠিত পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী সৃজনশীল বই প্রকাশ ও বিপণনে নিয়োজিত মাইক্রো ও ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজকে অর্থায়নের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে শতভাগ পুনঃঅর্থায়ন করা হবে। এক্ষেত্রে নারী উদ্যোক্তারা অগ্রাধিকার পাবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গভর্নও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক কল্যাণমুখী ও উন্নয়ন-বান্ধব কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং-এর কথা শুধু মুখেই বলছে না, বিভিন্ন কাজে-কর্মে এটি বাস্তবায়ন করে চলেছে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, সবুজ ব্যাংকিং বা পরিবেশ-বান্ধব অর্থায়ন, সম্ভাবনাময় ও পিছিয়ে পড়া অর্থনৈতিক খাতকে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের অগ্রভাগে নিয়ে আসার নানামুখী কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে এবং তা সফলভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
আতিউর আরো বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক খুবই আন্তরিকতার সাথে এসএমই খাতের উন্নয়নে কাজ করছে। ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরের খাতগুলোকে ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশনের আওতায় আনতে এসএমই অর্থায়নের গুরুত্ব রয়েছে। চলতি বছরের এসএমই ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ব্যাংকগুলো নিজেরাই গত বছরের চেয়ে বিশ শতাংশ বৃদ্ধি করে প্রায় ৮৯ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে।
অনুষ্ঠানের বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক নির্মল চন্দ্র ভক্ত, বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীবৃন্দ, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি উপস্থিত ছিলেন।
[b]ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]
প্রকাশনাকে বাঁচাতে ঋণ বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছি: গভর্নর
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, নানাবিধ কারণে প্রকাশনা শিল্প হুমকির সম্মুখীন। বাংলা বইয়ের বাজার সীমিত হয়ে পড়া, বইয়ের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া
বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ, ব্যাংকিং লেনদেনে কি প্রভাব পড়বে?
সাইবার হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। তবে ওয়েবসাইট বন্ধ থাকলেও দেশের ব্যাংকিং লেনদেন ও কোর ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
জরুরি নিরাপত্তা ইস্যুতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
জরুরি নিরাপত্তাসংক্রান্ত সমস্যার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
আগামীকাল থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে থাকছে দেশের ব্যাংক ও শেয়ারবাজার। ছুটির আগে সোমবার শেষ কার্যদিবস আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর)। এরপরে টানা পাঁচদিন ছুটি।
আজ খোলা থাকবে সব ব্যাংক
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে এর আগে আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) ব্যাংকগুলো স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে। এছাড়া শেয়ারবাজার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানও খোলা থাকবে।
দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে টানা পাঁচ দিনের ছুটি থাকছে। আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিন দুর্গাপূজার ছুটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পরের দুই দিন ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।
















