সোমবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তৈরি পোশাক খাতের (গার্মেন্টস) মালিক নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং শ্রমিক নেতা শিমুল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
‘ডিসেম্বর নাটক’ ও পলাতকদের ফিরিয়ে আনার তাগিদ
পলাতক অপশক্তির সাম্প্রতিক অপপ্রচার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া সাবেক আওয়ামী সরকারের পলাতক অনেক নেতাকর্মী ‘ডিসেম্বর, ডিসেম্বর’ বলে জিগির তুলছেন। তারা যদি দেশে আসতে চান, আজই এন্ট্রি নিতে পারেন। আমরা তো তাদের ফেরত পাঠাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সেই দেশের সরকারকে নিয়ম অনুযায়ী চিঠি দিয়েছি। মূলত এই ‘ডিসেম্বর’ জপ করে তারা বিদেশে বসে তাদের হতাশ ও পলাতক কর্মীদের চাঙ্গা (বুস্টআপ) করার চেষ্টা করছে।”
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার গুঞ্জন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, “কিসের ডিসেম্বর-ডিসেম্বর করছেন? ডিসেম্বর আমাদের মহান বিজয়ের মাস। এ মাসে আমাদের নানা জাতীয় কর্মসূচি আছে এবং থাকবে। কোনো পলাতক বা দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি যদি চান, তবে তিনি অতিশীঘ্রই দেশে প্রত্যাবর্তন করতে পারেন। দেশে ফিরলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।”
‘পতিত শক্তির দোসরদের চক্রান্ত’
ইদানীংকালে রাজপথে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেন, “সম্প্রতি রাজপথে শ্রমিকদের নাম ব্যবহার করে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে, সেখানে প্রকৃত কোনো সাধারণ শ্রমিক ভাইবোন ছিলেন না। এগুলো সবই পতিত রাজনৈতিক শক্তির দোসরদের কাজ। যারা আইনের বাইরে গিয়ে পরিবেশ ঘোলাটে করতে চাইছে, তাদের স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে—সরকার কোনো অন্যায় বরদাশত করবে না এবং কঠোর হস্তে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করবে।”
তিনি সকল পক্ষকে শান্ত থাকার এবং দেশের আইন ও জাতীয় নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
এমএম















