দেশে প্রতি বছর যে পরিমান প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স আসছে তার ২২ শতাংশ অর্থ হুন্ডিতে প্রবেশ করে। ৭৮ শতাংশ আসে বৈধ চ্যানেলের সাধ্যমে। তবে যে অর্থ আসে তার ২৫.৩৩ শতাংশ বিনিয়োগে যাচ্ছে। আর বিদেশে যাওযার জন্য যে ঋন নেয়া হয়েছে তাতে ব্যয় হচ্ছে ১০.৮৭ শতাংশ অর্থ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত এক জরীপে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রবাস আয়ের বিনিয়োগ জরিপ রিপোর্ট এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বক্তব্য রাখেন প্রতি মন্ত্রী এমএ মান্নান, পরিসংখ্যান সচিব কে এম মোজাম্মেল হক।

জরিপে বেরিয়ে এসেছে যে, ৮৬ লাখ বাংলাদেশি বিদেশে কর্মরত আছে।২০১৫ সালে প্রবাস আয়ের ৯৬ শতাংশ আসে নগদে এবং ৪ শতাংশ আসে দ্রব্যমূল্য হিসেবে। বিকাশের মাধ্যমে ১৪.৩১ শতাংশ আসে। পাঠানো টাকার ৪৪.১৮ শতাংশ টাকা পিতামাতা এবং ৪১.৭৮ শতাংশ পরিবারের স্বামী বা স্ত্রী গ্রহন করে। ৪০.৭১ শতাংশ খানা প্রবাস আয়ের টাকা সঞ্চয় করে।

বিবিএস বলছে, বিনিয়োগের সিংহভাগ বা ৭৪.৭৮ শতাংশ যাচ্ছে নির্মান খাতে। জমি কেনাতে যাচ্ছে ৯.০৮ শতাংশ টাকা। বেশির ভাগ প্রবাসি বাংলাদেশি কম বয়সি। যাদের প্রায় ৫৪.৯০ শতাংশ পুরুষ এবং ৫৫.১১ শতাংশ।

এদিকে প্রবাস আয় সংগ্রহে শীষ দেশ ভারত। আর দশম হলো বাংলাদেশ।

এমআইএস