সপ্তাহের শুরুতে গত রোববার নেতিবাচক হলেও শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবারে ইতিবাচক প্রবণতায় সপ্তাহ শেষ করল পুঁজিবাজার।
এ সময় দেশের উভয় পুঁজিবাজারে সূচক বেড়েছে। একই সাখে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পানির দর ও টাকার অঙ্কে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে।
বাজার বিশ্লেষনে দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ২৯০ টি কোম্পানির ৮ কোটি ৫৬ লক্ষ ৪৭ হাজার ২২০ টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে।
ডিএসই’তে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৩৯৯ কোটি ৮০ লক্ষ ১৪ হাজার ৯২৭ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা বেশি।
ডিএসই  ব্রড ইনডেক্স আগের কার্যদিবসের চেয়ে  ১১.৯৪ পয়েন্ট  বেড়ে ৪৭৬১.১৮ পয়েন্ট, ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ১.০১ পয়েন্ট বেড়ে ১৬৮৮.০২ পয়েন্ট এবং ডিএসইএক্স শরীয়াহ্ সূচক ১.৩৫ পয়েন্ট বেড়ে ৯৯৫.২৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
লেনদেনকৃত ২৯০ টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮৮ টির, কমেছে ৭৮ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪ টি কোম্পানির শেয়ারের।
লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো-অলিম্পিক লিঃ, স্কয়ার ফার্মা, বিএসসিসিএল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, ডেল্টা লাইফ, এএফসি এগ্রো, পদ্মা অয়েল, যমুনা অয়ের ও বেঙ্গল উইন্সডোর।  
দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- দেশ গার্মেন্টস, মির‌্যাকেল ইন্ডাঃ, বীচ গ্যাচারী, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, দেশবন্ধু পলিমার, বিএসসি, বিডি ওয়েল্ডিং, লিগেসী ফুট, হাক্কানী পাল্প ও স্টাইলক্র্যাফট।
গতকাল বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রড ইনডেক্স বেড়েছিল ৭৭ পয়েন্ট। এদিন মোট লেনদেন হয় ৩৮২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার।
বেশ কয়েকদিন দর পতনের পর বাজারে কিছুটা ক্রয় চাপ রয়েছে। ইতোমধ্যে বেশি দরে কেনা শেয়ারে আটকে যাওয়া বিনিয়োগকারীরা কম দরে শেয়ার ছাড়তে নারাজ। ফলে ক্রেতাদের ঊর্ধ্বমুখী দরে শেয়ার কিনতে হচ্ছে। যে কারণে সূচক ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিস্টরা।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ১৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৯৩৪৬ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট ২২১টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে।
এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২৪টির, কমেছে ৭৭টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টি কোম্পানির শেয়ারের। টাকার পরিমাণে মোট লেনদেন হয়েছে ৪১ কোটি ১৭ লাখ টাকার।
[b]ঢাকা, ২০ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]