[b]ঢাকা:[/b] সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতায় যাত্রীবাহী যানবহনে নিক্ষিপ্ত পেট্রোল বোমায় অগ্নিদগ্ধে নিহত ১৪টি পরিবারকে প্রত্যেককে নগদ ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) করে প্রদান করেছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি (এফবিসিসিআই)।
সোমবার এফবিসিসিআইয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সহায়তা প্রদান করেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ। এ সময় সংসদ সদস্য ও কন্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম, এফবিসিসিআইয়ের প্রথম সহ-সভাপতি মিসেস মনোয়ারা হাকিম আলী, সহ-সভাপতি  মোঃ হেলাল উদ্দিন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারির প্রধান সমন্বয়কারী ডাঃ সামন্ত লাল সেন বক্তব্য রাখেন। 
উল্লেখ্য গত ১২ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে এফবিসিসিআই-এর সভাপতি, প্রথম সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি এবং পরিচালনা পর্ষদ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ২৯ জন আহতদের নগদ ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা ও প্রয়োজনীয় জরুরী ঔষধ ও কম্বল চিকিৎসাধীন করেন।
এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে অনেক আন্দোলনই আমরা দেখেছি কিন্তু রাজনীতির নামে এরকম  নৃশংস ও সহিংস আন্দোলন আমরা কখনও দেখিনি। রাজনীতির নামে সাম্প্রতিক যে সহিংসতা চলছে তা খুবই নিন্দনীয় ও অসমর্থনযোগ্য। আমরা এর অবসান চাই।
তিনি আরো বলেন ক্ষতিগ্রস্তদের পুর্নবাসনের জন্য এফবিসিসিআইতে একটি পৃথক সেল গঠন করা হয়েছে। প্রত্যেক নিহতদের পরিবারের সন্তানদের এফবিসিসিআইয়ের পরিচালকবৃন্দের বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর ব্যবস্থা করা হবে জানান।
তাৎক্ষনিকভাবে এফবিসিসিআইসহ ৭-৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থানের ঘোষনা দেয়া হয়ে।
সংসদ সদস্য ও কন্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম বলেন একজন শিল্পী হিসেবে আমরা এরকম নৃশংস রাজনীতি দেখতে চাই না। বক্তব্য শেষে তিনি নিহতদের স্মরণে একটি গান পরিবেশন করেন।
এফবিসিসিআইয়ের প্রথম সহ-সভাপতি  মনোয়ারা হাকিম আলী নিহতদের পরিবারের তিনটি সন্তানকে তাঁর ইন্ট্রাকো গ্রুপে চাকুরী দেবার এবং মহিলাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দিয়ে নারী উদ্যেক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘোষনা দেন। একই সাথে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  বার্ন ইউনিট প্রতিষ্ঠার জন্য  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।
এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি মোঃ হেলাল উদ্দিন বলেন আজ হতে আর যেন কাউকে এভাবে অগ্নিদগ্ধ হয়ে করুণ মৃত্যবরন করতে না হয় এবং এই ধরনের অপরাজনীতির অবসানের দাবি জানান।  
অন্যান্যদের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের পরিচালকবৃন্দ আব্দুল হক, আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, আবু মোতালেব, আলহাজ্ব মোঃ হারুন-অর-রশিদ, আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ শফিকুল ইসলাম ভরসা, কে.এম. আখরুজ্জামান, নাজমুল হক, আলহাজ্ব বজলুর রহমান, এ.কে. এম. শাহেদ রেজা, মোঃ শাহজালাল মজুমদার, মোঃ আনোয়ার সাদাত সরকার, মোঃ কোহিনুর ইসলাম, প্রবীর কুমার সাহা, মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, ইঞ্জি: মোহাব্বত উল্লাহ, এফবিসিসিআইয়ের অধিভুক্ত চেম্বার ও এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ ও  নিহতদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]