তিনি বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িক চেতনা, মানবিকতা এগুলো পরিচর্যা ও লালন কেন্দ্র। এখানে শিক্ষার্থীদের দলমত-আদর্শ পোষণের এখতিয়ার আছে।
উপাচার্য আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা কে কোন সংগঠন করবে, কোনো সংগঠন করবে না এটা তাদের একেবারেই নিজস্ব বিষয়। আমরা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে গভীরভাবে বিশ্বাস করি। আমরা আশা করি অনুপ্রাণিত করি যারা মহান মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর যে আদর্শ সে আদর্শকে যারাই ধারণ করবে তাদের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় অবাধ বিচরণ কেন্দ্র।
ডাকসুর বিষয়ে উপাচার্য বলেন, ডাকসু একটি প্রত্যাশিত বিষয়। আপনারা যেমন প্রত্যাশা করেন আমরাও এটি প্রত্যাশা করি। নেতৃত্ব বিকাশের জন্য এটা খুবই জরুরি। যখন সুন্দর একটি পরিবেশ ও সবাই এক জায়গায় বুঝতে পারবে তখন বিগত সময়ের মতো আবারও আমরা ডাকসু নির্বাচনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারব।
এমআই





