তবে বন্ধের নোটিশ উপেক্ষা করে সোমবার (২৫ নভেম্বর) সকাল থেকে সোহরাওয়ার্দীর সামনে জড়ো হতে থাকেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাদের সঙ্গে যোগ দেয়, কবি নজরুলসহ সাত কলেজের হাজারো শিক্ষার্থী। পরে তারা সেখান থেকে লং মার্চ নিয়ে ডেমরা এলাকায় অবস্থিত মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজে হামলা চালায়। এই ঘটনার পর ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। তাদের হামলায় মোল্লা কলেজের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

অপরদিকে, ন্যাশনাল মেডিকেলে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে মোল্লা কলেজের এক শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী, কবি নজরুল এবং ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে হামলা চালায় ডিএমআরসিসহ ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী।

ওইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসের ফাইনাল পরীক্ষা চলাকালে সোহরাওয়ার্দী, নজরুল এবং ন্যাশনাল মেডিকেলে হামলা চালানো হয়। হামলায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের নিজস্ব গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স, প্রাইভেট কারসহ পাঁচটি যানবাহন ভাঙচুর ও মূল্যবান মালামাল এবং নগদ অর্থ লুট করা হয়েছে বলে জানান কর্তৃপক্ষ।

এনএইচ