মঙ্গলবার (১১ জুলাই) সমাবর্তন অনুষ্ঠানে হিমি জানান, অভিনয় ও পড়াশোনা দুটো একসাথে চালানোটা তার জন্য বেশ কঠিন ছিলো।

তিনি বলেন, গ্র্যাজুয়েশন ঠিকমতো শেষ করতে পারবো কি না, সেটা নিয়েই বেশি চিন্তা ছিল। কারণ ঠিকমতো পড়াশোনা আর অভিনয় চালিয়ে যাওয়া আমার জন্য খুবই কষ্টকর, এটা বোঝানো যাবে না। কনভোকেশন শেষে সেই দিনগুলোর কথাই মনে পড়ছে।

অভিনেত্রী জানান, আপাততো মাস্টার্স করার কোনো পরিকল্পনা নেই তার। এ মুহুর্তে তিনি হাতের কাজগুলো সেরে ২-১ বছর পর উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে চান।

তার কথায়, যেহেতু এখন অনেক কাজের প্রস্তাব আসছে, ঐ কাজগুলো শেষ করি। ক্যারিয়ার সব সময় এক রকম থাকবে না। অভিনয়ের পাশাপাশি মার্কেটিং নিয়েও কাজ করবো। পাশাপাশি পড়াশোনা নিয়েও ব্যস্ত থাকবো।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, বরাবরই পড়াশোনায় ভালো ছিলেন তিনি। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাতেও জিপিএ-৫ পেয়েছেন। হিমির বাবা-মায়ের আদেশ ছিল, আগে পড়াশোনা পরে অন্য কিছু। সেজন্য শুভক্ষণে তাদেরকে কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি অভিনেত্রী।

হিমি বলেন, আজকের এই অর্জন আব্বু ও আম্মুর সমর্থন ও ভালোবাসা ছাড়া সম্ভব ছিলো না। আজকে আমি যা কিছু করেছি, তোমাদের ত্যাগ, নির্দেশনা ও আমার প্রতি বিশ্বাসের জন্য এবং সবটাই তোমাদের জন্য।

প্রসঙ্গত, এবারের ঈদে হিমির অভিনীত ‘পরাণ পাখি’, ‘ফ্যামিলি ট্রাবল’, ‘মেজবানি ভালোবাসা’, ‘কোটি টাকার ডিপোজিট’, ‘লাভ ইউ ম্যাডাম’ , ‘জামাই শ্বশুরের কোরবানি’, ‘তোমাকে ভেবে’, ‘শুভ বিবাহ’, ‘জামাই আতঙ্ক’ নাটকগুলো দর্শকমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

এন