আইএমডিবির রেটিংয়ে গত দশকের সেরা শোর স্বীকৃতি পেয়েছে ‘মির্জাপুর’। পাশাপাশি গত এক দশকে বিভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়া সিরিজগুলোর মধ্যে সর্বাধিক দেখা সিরিজ হিসেবেও জায়গা করে নিয়েছে এটি। এমন অর্জনে উচ্ছ্বসিত সিরিজটির অন্যতম জনপ্রিয় চরিত্র গুড্ডু পণ্ডিতের অভিনেতা আলি ফজল। তাঁর কাছে এই স্বীকৃতি কেবল পেশাগত অর্জন নয়, দর্শকের সঙ্গে গড়ে ওঠা গভীর সম্পর্কেরও প্রতিফলন।
গুড্ডু পণ্ডিত চরিত্রটি অভিনয়জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা তুলে ধরে আলি বলেন, একজন অভিনেতা হিসেবে চরিত্রটি তাঁকে অনেক কিছু দিয়েছে। দর্শক যেভাবে গুড্ডুকে নিজেদের ঘরের মানুষ করে নিয়েছেন, তা তাঁর কাছে অবিশ্বাস্য। দর্শকের ভালোবাসার কারণেই গুড্ডু ভাইয়ার নাম আজ প্রায় সবার কাছে পরিচিত।
আলি ফজলের ভাষায়, কখনো ভাবেননি তাঁর অভিনীত একটি চরিত্রের ম্যানারিজম মানুষের মুখে মুখে ফিরবে কিংবা সিরিজের সংলাপ এত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। দর্শকের কাছ থেকে পাওয়া এই ভালোবাসা তিনি প্রত্যাশা করেননি বলেও জানান। অন্য চরিত্রগুলোর অভিনেতারা তাঁদের অভিজ্ঞতা বলতে পারবেন উল্লেখ করে নিজের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারছেন না বলে জানান তিনি।
২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করা ‘মির্জাপুর’ এখন পর্যন্ত তিনটি সিজনের মাধ্যমে শক্তিশালী দর্শকগোষ্ঠী তৈরি করেছে। সিরিজের গল্পের পাশাপাশি গুড্ডু পণ্ডিত, কালীন ভাইয়া ও মুন্না ভাইয়ার মতো চরিত্রগুলোও দর্শকের আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছে। সময়ের সঙ্গে গুড্ডু পণ্ডিতের জনপ্রিয়তা বেড়েছে, আর সেই চরিত্রের মাধ্যমে আলি ফজলের পরিচিতিও ছড়িয়ে পড়েছে আরও বিস্তৃত পরিসরে।
দর্শকের ভালোবাসায় অভিভূত আলি বলেন, ‘মির্জাপুর’-এর প্রতি মানুষের এমন সাড়া দেখে তিনি মুগ্ধ। সিরিজটির যাত্রা শুরুর সময় তাঁরা জানতেন, বিশেষ কিছু তৈরি করছেন। তবে সিরিজ ও এর চরিত্রগুলো মানুষের সঙ্গে এত গভীরভাবে যুক্ত হয়ে যাবে, তা তাঁদের কারও কল্পনায় ছিল না। কাজটি ভালো হয়েছে, তা তাঁরা বুঝতে পেরেছিলেন বলেও জানান অভিনেতা।
এস











