শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জিতরামপুর ও টিডিরচর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চাঁন মিয়া ও শহীদ মেম্বার গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। গত দুই মাসে এই দুই পক্ষের মধ্যে চার-পাঁচ দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ভোরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের সমর্থকেরা টেঁটাসহ দেশি অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন টেঁটাবিদ্ধ হয়ে আহত হন।
পরে স্বজনেরা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার এবং ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন দুই পক্ষের নেতারা। চাঁন মিয়া অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষের লোকজন টেঁটা ও ককটেল নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে তাঁর পক্ষের কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, শহীদ মেম্বার তাঁর সহযোগীদের নিয়ে বারবার তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে এলাকার শান্তি নষ্ট করছেন। তবে তাঁরা এলাকায় শান্তি চান, কোনো সংঘর্ষ চান না বলে দাবি করেন চাঁন মিয়া।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে শহীদ মেম্বার বলেন, ভোররাতে চাঁন মিয়ার লোকজন তাঁদের ওপর প্রথমে হামলা চালায়। তাঁরা তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। এ ঘটনায় নারীসহ তাঁদের পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাঁরা নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই মূলত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাতজন এবং জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে আরও তিন থেকে চারজন চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা রয়েছে।
এস
















