এবার সেই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদে আরও বিস্ফোরক তথ্য জানাল মুম্বাই পুলিশ, যা এই মামলায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তাদের ভাষ্য, অভিযুক্ত শরিফুল একজন জাতীয় পর্যায়ের কুস্তি চ্যাম্পিয়ন!
সাইফের ছেলেকে অপহরণের উদ্দেশ্য ছিল হামলাকারীর!
পুলিশ সূত্রের বরাতে ইন্দো-এশিয়া নিউজ সার্ভিস (আইএএনএস) এক প্রতিবেদনে বলছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় গ্রেপ্তার হওয়া শরিফুল নাকি পুলিশকে বলেছেন যে তিনি বাংলাদেশের একজন জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের কুস্তিগীর ছিলেন। পুলিশের বিশ্বাস, এই কারণে তার পক্ষে সাইফ ও বাড়ির অন্যদের পরাস্ত করা সম্ভব হয়েছে।
মুম্বাই পুলিশের তরফে আরও জানানো হয়, বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে বসবাসকারী শরিফুল গত পাঁচ মাস ধরে মুম্বাইয়ের বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করছিলেন। ওরলি এবং ঠাণে এলাকার দু’টি রেস্তরাঁ-পাব ও হোটেলের কথা জানতে পারে পুলিশ। গেল শনিবার সেখানে হানা দেয় তারা। এরপর ওই রেস্তরাঁ দুটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় তাদের পুরনো সমস্ত সাফাইকর্মীকে।
সাইফকাণ্ড: যে তথ্যগুলো বেরিয়ে এলো হামলাকারী সম্পর্কে জানা গেছে, এর আগেও অপরাধকর্মে নাম উঠেছিল শরীফুলের। ওরলির একটি রেস্তোরাঁয় কাজের সময় তার বিরুদ্ধে উঠেছিল চুরির অভিযোগ। এ কারণে গত অগস্টে চাকরিও যায় তার।
এদিকে শরীফুলের কারণে কাজ হারিয়েছেন রেস্তোরাঁয় কর্মী সরবরাহের কাজে নিয়োজিত ঠিকাদার। রেস্তোরাঁর ম্যানেজার জানান, যে ঠিকাদারের কাছ থেকে তারা কর্মী ভাড়া করেন সেই ঠিকাদারকেও বরখাস্ত করেছেন। পাশাপাশি ওই ঠিকাদারের মাধ্যমে নিযুক্ত সব কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কারণ তারা জানতে পেরেছেন চুরির অভিযোগে শরিফুলকে বরখাস্ত করার পরও ওই ঠিকাদার তাকে কর্মী আবাসনে থাকার অনুমতি দিয়েছিলেন।
ম্যানেজার বলেন, “আমরা সাধারণত কোনো ঠিকাদারের কাছ থেকেই কর্মী ভাড়া করে থাকি। ফলে কর্মীদের সততা এবং বিশ্বস্ততার দিকটি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব ঠিকাদারেরই। পুলিশের তদন্ত শুরু হওয়ার পর গাফিলতি স্পষ্ট হয়েছে। আমরা ওই ঠিকাদারকেও সরিয়ে দিয়েছি।”
এইচআর





