মঙ্গলবার ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে ওই দিন বিকেলে সৌদি আরবে থাকা সৌরভের সহকর্মীরা তার পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুর খবর জানান।

নিহত সৌরভ ইসলাম নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের মুছাপুর গ্রামের আমির ইসলাম ও রেনু বেগম দম্পতির একমাত্র ছেলে। তিনি জেদ্দায় ‘আলসাইম’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের অধীনে একটি ব্যাংকে অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। প্রায় এক বছর আগে ছুটি কাটিয়ে তিনি আবার সৌদি আরবে কর্মস্থলে ফিরে যান।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে সৌরভ তার আবাসিক ভবনের ছাদে ছিলেন। এ সময় ইয়েমেন থেকে জেদ্দার দিকে মিসাইল আসার সতর্কবার্তা তার মোবাইলে আসে। সতর্কবার্তা দেখে আতঙ্কিত হয়ে তিনি দ্রুত ছাদ থেকে নিচে নামতে যান।

সিঁড়ি দিয়ে দ্রুত নামার সময় কোনো একটি তার বা অন্য কিছুর সঙ্গে তার পা জড়িয়ে যায়। এতে তিনি সিঁড়ি থেকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পরে সকালে সহকর্মীরা তাকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

সৌরভের মা রেনু বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে ছেলের মরদেহ দেশে এনে শেষবারের মতো দেখতে এবং নিজের হাতে দাফন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

নিহতের বাবা আমির ইসলাম ছেলের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন।

রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, ঘটনাটি তিনি জেনেছেন। নিহতের স্বজনরা যোগাযোগ করলে মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতা করা হবে।

এস