পরিবার জানায়, সৌদিতে পৌঁছে চাকরি না পেয়ে চরম অসহায় হয়ে পড়েন সাফিরুল। খাওয়ার জন্য কখনও মসজিদে মসজিদে যেতেন, কখনও রাস্তায় রাত কাটাতেন। অসুস্থ হলেও চিকিৎসা পাননি। গত ২৮ জুলাই সৌদি আরবের এক হাসপাতালের গেটে মারা যান তিনি।স্থানীয়রা জানান, একই গ্রামের প্রবাস ফেরত দালাল মিস্টারের মাধ্যমে সাফিরুল ও রনি নামে দুই যুবক সৌদি আরব যান। সঠিক কাগজপত্র না থাকায় দুজনেরই চাকরি হয়নি। সাফিরুল মারা গেলেও রনি এখনও মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। এ ঘটনায় দালাল মিস্টার গা ঢাকা দিয়েছেন এবং কোনো সহায়তাও দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ পরিবারের। মৃত্যুর অর্ধমাস পেরিয়ে গেলেও আর্থিক সংকটে মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়নি।

সাফিউলের প্রতিবেশী মনির মিয়া জানান, দালাল মিস্টারের প্রলোভনে পড়ে সাফিরুলের মর্মান্তিক অকাল মৃত্যু হয়েছে। সাফিরুলের মতো অনেক যুবক মিস্টারের প্রলোভনে পড়ে নিঃস্ব হয়েছে। দালাল মিস্টারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।গাইবান্ধা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক মো. নেশারুল হক বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে মরদেহ দেশে আনতে সরকারি সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। দালালের মাধ্যমে যাতে কেউ বিদেশ না যান সেজন্য সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এই কর্মকর্তা।

এমএম