বৈঠকে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ডমার্শাল আসিম মুনির, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান এবং তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ইব্রাহিম কালিন উপস্থিত রয়েছেন।

ইরানের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। আলোচ্যসূচিতে রয়েছে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের পরিণতি, ফিলিস্তিন ও লেবাননের পরিস্থিতি, ইয়েমেনের সংঘাত এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপায়।

এর আগে সৌদি আরব এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, উত্তেজনা বৃদ্ধি ঠেকানো এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর পথ তৈরি করাই এ আলোচনার লক্ষ্য।

ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাত তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইরানের সঙ্গে হুথিদের সম্পর্ক থাকায় ইয়েমেনের সংঘাত বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গেও যুক্ত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা গুরুত্ব পাচ্ছে।

গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা’ চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তির মূলনীতি অনুযায়ী, কোনো একটি সদস্যদেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

সূত্র: মেহের নিউজ, বিবিসি।

এস