চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় নীরব নামের ৭ বছরের এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। মৃত শিশুটির স্বজনদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনেরা ওই ওয়ার্ডের জানালার গ্লাস ভাংচুর করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মৃতের পারিবারিক সূত্র জানায়, পেটে ব্যথা নিয়ে মঙ্গলবার দিনগত রাত ৩টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় শহরের মাসকান্দা এলাকার বাসিন্দা ওয়ার্কশপ মিস্ত্রি শহীদুল ইসলামের পুত্র নীরবকে।
বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত সে আশঙ্কামুক্ত ছিল। অবস্থার উন্নতি দেখে তার স্বজনেরা নীরবকে হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে যেতে চাইলে দায়িত্বরত এক ইন্টার্ন চিকিৎসক একটি ইনজেকশন দিয়ে নিয়ে যেতে বলেন। ওই ইনজেকশন পুশ করার পর পরই শিশুটির শরীর নীল হয়ে যায় এবং সঙ্গে সঙ্গেই শিশুটি মারা যায়।
শিশুটির বাবা শহীদুল ইসলাম জানান, ইনজেকশন পুশ করার আগে আমি ইন্টার্ন চিকিৎসককে বলেছিলাম, মেয়াদ আছে কী না। ওই চিকিৎসক আমাকে বলেন, সরকারি মাল সব ঠিক আছে। কিন্তু ইনজেকশন দিয়ে ওরা আমার পোলাডারে মাইরা ফেললো।
রোগীর দাদা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমার নাতি সকালে খুব ভালো ছিল। ওই ইনজেকশন দিতে চায়নি। কিন্তু ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জোরজবরদস্তি করে ওকে ইনজেকশন দিয়েছেন।
এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ নাসিম জানান, রোগীর স্বজন ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাঝে ঝামেলা হয়েছিল। এ সময় রোগীর স্বজনেরা একটি প্রাইভেট কারও ভাংচুর করেন।
[b]ঢাকা, ১৪ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // এনএস[/b]