শনিবার (১৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের হিসাব তুলে ধরা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৩১২ জনে।

অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন ৯৭ জন। মাসজুড়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। ওই বছর এ রোগে মারা যান ৪১৩ জন।

২০২৪ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন। সে বছর মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের।

এর আগের বছর, ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। ওই বছর ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হন এবং মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ডেঙ্গুতে ছয়জনের মৃত্যু হয় এবং আক্রান্ত হন ৩ হাজার ১৬২ জন। ২০১৬ সালে ১৪ জনের মৃত্যু ও ৬ হাজার ৬০ জন আক্রান্ত হন। ২০১৭ সালে মারা যান আটজন এবং আক্রান্ত হন ২ হাজার ৭৬৯ জন।

২০১৮ সালে ডেঙ্গুতে ২৬ জনের মৃত্যু হয় এবং আক্রান্ত হন ১০ হাজার ১৪৮ জন। ২০১৯ সালে মৃত্যু হয় ১৬৪ জনের এবং আক্রান্ত হন ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন।

২০২০ সালে ডেঙ্গুতে সাতজনের মৃত্যু ও ১ হাজার ৪০৫ জন আক্রান্ত হন। ২০২১ সালে মারা যান ১০৫ জন এবং আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে ২৮১ জনের মৃত্যু হয় এবং আক্রান্ত হন ৬০ হাজার ৩৩১ জন।

এস