সকাল ৯টা ১০ মিনিটে পরিদর্শন শুরু করে দুপুর ১টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচ্ছন্নতা, সেবার মান ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী প্রথমে উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এরপর রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ও মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে যান। পরে মিরপুরের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ, পাইকপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার এবং সরকারি বাঙলা কলেজ পরিদর্শন করেন।

এরপর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ঘুরে দেখেন তিনি। সেখান থেকে নিজের সাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন এবং পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা ও বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

এ ছাড়া ধানমণ্ডি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, কলাবাগান স্টাফ কোয়ার্টার এবং আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার পরিদর্শন করেন তিনি। মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় হকারমুক্ত ফুটপাতও ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী।

পরিদর্শনকালে বিভিন্ন স্থানের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি দেখে সংশ্লিষ্টদের অসন্তোষের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দুই সপ্তাহের সময়সীমা দেন তিনি।

এর আগে উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করে সেখানকার পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়নে কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের সময় দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট পরিদর্শনের একপর্যায়ে সহযোগী অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলামের কক্ষে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে চিকিৎসককে ধূমপান করতে দেখেন তিনি। কক্ষটিও অপরিচ্ছন্ন ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালের চেয়ারম্যানকে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর চিকিৎসক রফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এস