আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দুই মাসের বেশি সময় ধরে চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনা যুদ্ধে রূপ নিতে যাচ্ছে। এতকিছুর মধ্যেও পশ্চিমা বিশ্বের উদ্বেগের মাঝেই ইউক্রেন সীমান্ত থেকে কিছু সেনা ফিরিয়ে নিচ্ছে ক্রেমলিন।
ইউক্রেন সীমান্তে মোতায়েনরত কিছু সৈন্যকে সামরিক ঘাঁটিতে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল ইগর কোনাশেনকভ এক বিবৃতিতে বলেন, যেহেতু সামরিক প্রশিক্ষণ কর্মকাণ্ড শেষ হয়েছে, তাই প্রতিবারের মতো এবারও কিছু সেনাকে সীমান্ত থেকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলীয় কয়েকটি ইউনিটের সেনারা গাড়ি ও রেলযোগে সামরিক ঘাঁটিতে ফিরে আসছেন। সামরিক কনভয়ের অংশ হিসেবে পৃথক ইউনিট পায়ে হেঁটে ফিরবে।
বেশ কয়েকটি সামরিক প্রশিক্ষণ, মহড়া পরিকল্পনা মতো সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।
ইউক্রেন নিয়ে উত্তেজনা প্রশমিত করতে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে আজ (১৫ ফেব্রুয়ারি) বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
বৈঠকের আগেই এমন একটি সিদ্ধান্ত নিল মস্কো। এমন পদক্ষেপে মস্কো এবং পশ্চিমাদের মধ্যে যে বিরোধ তা কমে আসতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলে সামরিক জেলার কিছু ইউনিট তাদের অনুশীলন শেষ ঘাঁটিতে ফিরতে শুরু করেছে।
তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যেই এই অঞ্চলের সেনারা তাদের মালামাল রেল এবং সড়ক পরিবহনে লোড করতে শুরু করেছে ৷
ইউক্রেনে আগ্রাসনের পরিকল্পনার কথা বরাবরই অস্বীকার করে আসছে রাশিয়া। যদিও দেশটির সীমান্তে এক লাখের বেশি সেনাসমাবেশ ঘটিয়েছে মস্কো। সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সংকট সমাধানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ক্লান্ত হয়ে পড়ার এখনও অনেক বাকি।
এইচএন





