আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু মঞ্চে ওঠার পরপরই বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও প্রতিনিধিরা ওয়াকআউট করেন। তারা সঙ্গে সঙ্গে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান।

এ সময় কক্ষে উপস্থিত প্রতিনিধিদের একাংশ তাঁকে উদ্দেশ্য করে দুয়ো ধ্বনি দিতে শুরু করেন। তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব প্রতিনিধি দল দাঁড়িয়ে তালি দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানায়।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘নৈতিকভাবে কাপুরুষ যেসব ব্যক্তি এখনো এই কক্ষ থেকে বের হয়ে যাননি, তারাও দয়া করে বের হয়ে যান।

এএফপির হাতে আসা একটি আনুষ্ঠানিক স্মারকে দেখা গেছে, ফিলিস্তিনের পক্ষ থেকে অন্য রাষ্ট্রগুলোকে নেতানিয়াহুর ভাষণ যৌথভাবে বর্জন ও ওয়াকআউট করার অনুরোধ জানানো হয়।

গাজায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। জাতিসংঘের আগের অধিবেশনগুলোতেও এ নিয়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা সরব ছিলেন। তবে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছেন নেতানিয়াহু। এবারও তিনি বলেন, ইসরায়েল গণহত্যা করেনি; বরং একটি গণহত্যা ঠেকিয়েছে।

তার দাবি, তারা কেবল হামাস যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং হামাস বেসামরিক নাগরিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। বক্তব্যে নেতানিয়াহু মেয়র মামদানিকে হামাসের ‘বন্ধু’ বলেও উল্লেখ করেন।

নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় ওয়াকআউট করা সব দেশের পূর্ণাঙ্গ তালিকা এখনো নিশ্চিতভাবে প্রকাশিত হয়নি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক ডজন প্রতিনিধি অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।


সূত্র: আল জাজিরা

এস