স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের পেমাতাংসিয়ান্তার শহরের কাছে দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১৬৩ কিলোমিটার বলে জানিয়েছে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরিবিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের আশপাশের মানুষ কম্পন অনুভব করলেও দ্বিতীয় ভূমিকম্পে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে সকালে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের ফ্লোরেস দ্বীপে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে ভবন ও বাড়িঘর ধসে পড়ার পাশাপাশি আতঙ্কিত মানুষকে ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে।
পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের সিক্কা শহরের বাসিন্দা ইয়োহান্না এমবু এএফপিকে জানান, শহরের অনেক বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। ভূমিকম্পের সময় মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তিনি নিজের চোখের সামনে বন্দর এলাকার একটি ভবন ধসে পড়তে দেখেছেন বলেও জানান।
প্রদেশের গভর্নর ইমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ঘুমন্ত অবস্থায় কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে।
প্রাথমিক হিসাবে ৫৪টি বাড়ি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া পাঁচটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তিনটি উপাসনালয়, ছয়টি সরকারি ভবন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও একটি গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাংগারাই প্রদেশকে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এস