শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল সোয়া ১০টার দিকে মাজারের তিনটি ডেগ ও পাঁচটি দানবাক্সের সিলগালা খুলে গণনা শুরু হয়। দিনভর গণনা শেষে সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে হিসাব ঘোষণা করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

তিনি জানান, দানবাক্স ও ডেগ থেকে নগদ ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা পাওয়া গেছে। এর পাশাপাশি ২ ভরি ১ রতি স্বর্ণ এবং ১ ভরি ২ আনা রুপা পাওয়া গেছে।

দানবাক্সে ইংল্যান্ডের পাউন্ড, ভারত ও পাকিস্তানের রুপি, সৌদি রিয়াল, মালয়েশিয়ার রিঙ্গিত, মার্কিন ডলার, নেপালি রুপি, ওমানি মুদ্রা, ইউএই দিরহাম, ইরাকি দিনার, তুর্কি লিরা, জাপানি ইয়েন, ভিয়েতনামের ডং, কাতারি রিয়াল, লেবানন ও মিসরের পাউন্ড, ইউরো, বাহরাইনি মুদ্রা এবং কানাডিয়ান ডলারসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া নজরানা হিসেবে গরু, ছাগল, হাঁস ও মুরগিও পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে একটি নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি কমিটি কাজ করছে। নীতিমালা চূড়ান্ত হলে ভবিষ্যতে দানবাক্সের অর্থ গণনা ও ব্যবস্থাপনা নির্ধারিত নিয়মে পরিচালিত হবে।

এর আগে ২২ জুন প্রথমবার এবং ১১ জুলাই দ্বিতীয়বার প্রকাশ্যে মাজারের দানবাক্সের অর্থ গণনা করা হয়। দ্বিতীয় দফার ৩৪ দিন পর শনিবার তৃতীয়বারের মতো দানবাক্স ও ডেগ খুলে হিসাব করা হলো।

এস